সোমবার
০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সোমবার
০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রেমিকের প্ররোচনায় মেয়েকে হত্যার পর ট্রাংকে লুকিয়ে রাখেন মা

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

গোপালগঞ্জে পারকীয়া প্রেমিকের প্ররোচনায় সাড়ে ৩ বছরের কন্যা শিশুকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। ঘটনার ২০ দিন পর ট্রাংক থেকে ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধর ও তার মাকে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে গোপালগঞ্জ পৌরসভার গোবরা মধ্যপাড়ার একটি বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

গোপালগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) সাখাওয়াত হোসেন সেন্টু ওই শিশুর মরদেহ উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, পুলিশ ঘাতক মায়ের স্বীকারোক্তি পেয়ে ঘরের দরজার তালা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে ট্রাংকের ভিতর থেকে শিশুর পচাগলা লাশ উদ্ধার করে । সুরাতহাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্য ওই শিশুর মরদেহ গোপালগঞ্জ ২৫০ বেড জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

নিহতের নানী পারভিন আক্তার বলেন, গোবরা মধ্যপাড়ার রুবেল সেখের সাথে আমার মেয়ে সেতু বেগমের বিয়ে হয় ৫ বছর আগে। তাদের একটি কন্যা শিশু আছে। নাম ফারিয়া। বয়স সাড়ে ৩ বছর। রুবেল কাতার প্রবাসী। তাই ফারিয়াকে নিয়ে সেতু গোবরা মধ্যপাড়া থাকত। টিকটকের মাধ্যমে সেতুর সাথে পরিচয় হয় ফরিদপুর জেলার হাট কৃষ্ণপুর গ্রামের মিরাজ নামে এক যুবকের।

পরে তারা বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। প্রেমিকা-প্রেমিকা একসাথে ঘর করতে সিদ্ধান্ত নেয়। প্রেমিকের প্ররোচনায় সেতু তার মেয়েকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে হত্যা করে। বটি হাতে নিয়ে এ কাজে প্ররোচনা দেয় মিরাজ। পরে মেয়ে ফারিয়ার মরদেহ ট্রাংক ভর্তি করে ঘরে তালা মেরে প্রেমিকের সাথে সেতু পালিয়ে যায়। ঘটনার ১৯ দিন পর শুক্রবার (৬ ফেব্রয়ারি) সেতুকে ওই যুবক ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ফরিদপুর জেলার তালমা নামক স্থানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে সেতু আমার কাছে ফোন করে সব ঘটনা জানায়। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে আমি বিষয়টি গোপালগঞ্জ থানা পুলিশকে অবহিত করি। সেইসাথে মেয়েকে পুলিশের হাতে তুলে দেই ।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন