

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


প্রেমিকের সাথে ঘুরতে গিয়ে এক সন্তানের জননী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষণের পর গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধারের পর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ।অমানবিক ও চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পৌরসভার কাণ্ঠালিয়া গ্রামে। ঘটনার পর থেকে ধর্ষণকারীরা পলাতক রয়েছে বলে এলাকাবাসি জানিয়েছেন।
পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে রয়েছেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি।
শুক্রবার (১ লা মে) এলাকাবাসি জানায়, ভুক্তভোগি গণধর্ষনের শিকার এক সন্তানের জননীর পিতার নাম শুকুর মিয়া। গ্রামের বাড়ি পৌরসভার কাণ্ঠালিয়া গ্রামে। পূর্বের স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পর এক কন্যা সন্তান নিয়ে তিনি বাপের বাড়িতে থাকছেন। ঘটনার মূলহোতা হচ্ছে আন্ধরা গ্রামের নাজিম মিয়ার পুত্র নুরুল হক।
নুরুল হক বৃহস্পতিবার প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক সন্তানের জননীকে বাড়ি থেকে নিয়ে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের উদ্যেশ্যে নিয়ে যায়।সেখানে নিয়ে নির্জন স্থানে এক সন্তানের জননীকে দিনভর পালাক্রমে একাধিকবার ধর্ষণ করে।এক পর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পরে। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে প্রথমে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় শুক্রবার দুপুরে তাকে টাঙ্গাইল হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করা হয়েছে বলে জানা যায়।
এদিকে এই ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পরলে ধর্ষণকারীদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি ও গ্রেফতারের দাবীতে উত্তেজনা দেখা দেয়। ধর্ষিতার পরিবার নিরীহ ও অসহায় হওয়ায় এখন পর্যন্ত মামলা করতে পারেনি। পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলে অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানায় যোগাযোগ করা হলে ডিউটি অফিসার বলেন, ধর্ষনের খবর পাওয়ার পর পুলিশের পক্ষ থেকে ওসি তদন্ত রাশেদ আহমেদ ও এসআই সুমন পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে রয়েছেন। পরিবার থেকে অভিযোগ করা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মির্জাপুর থানার ওসি তদন্ত রাশেদ আহমেদ ও এসআই সুমন বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ভুক্তভোগির পরিবারের সঙ্গে কথা বলে আইনহগত সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তাদের অভিযোগ করতে বলা হয়েছে। ভুক্তভোগি নারী চিকিৎসাধীন রয়েছে। ধর্ষণকারীরা পলাতক রয়েছে।
মন্তব্য করুন