

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের কাশিমপুর ধনঞ্জয়খালী এলাকায় উদ্বোধনের আগেই নবনির্মিত সড়ক ধসে পড়ার ঘটনায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার।
বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হলে তাঁর বিশেষ নির্দেশনায় সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার,পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
পরিদর্শন শেষে অনিয়মের অভিযোগে প্রকল্পের পরিচালকসহ দুই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রাথমিক তদন্তে সড়ক নির্মাণে অত্যন্ত নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। যদিও সংশ্লিষ্টরা প্রাকৃতিক দুর্যোগের দোহাই দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, তবে কারিগরি ত্রুটি ও দুর্নীতির বিষয়টিই প্রধান কারণ হিসেবে উঠে এসেছে। জনস্বার্থে নির্মিত এই প্রকল্পে কোনো ধরনের শিথিলতা সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
এছাড়াও তাৎক্ষণিক ভাবে প্রকল্পের পরিচালক হারুন অর রশিদ এবং প্রকৌশলী শামছুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পরিদর্শন শেষে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকারের নিকট এই দুই কর্মকর্তার বরখাস্তের আনুষ্ঠানিক চিঠি হস্তান্তর করেন প্রতিমন্ত্রী।
পুরানো সকল তদন্ত কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে এই ঘটনায় ৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চপর্যায়ের নতুন তদন্ত কমিটি গঠন করে,আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে বিস্তারিত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আরো বলেন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর। জনগণের টাকার অপচয় এবং উন্নয়ন কাজে কোনো ধরনের লুটপাট বরদাশত করা হবে না।
যারা এই ধসের পেছনে দায়ী, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। নতুন কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত কয়েকদিন আগে কাশিমপুর ধনঞ্জয়খালী এলাকার এই সড়কটি উদ্বোধনের আগেই হঠাৎ ধসে পড়ে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়। আজ প্রতিমন্ত্রীর ঝটিকা সফরের পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে।
মন্তব্য করুন