

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ভয়াবহ কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে। ঝড়ের তাণ্ডবে উপড়ে গেছে অসংখ্য গাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে স্কুল, দোকানপাট ও বসতঘর। ভেঙে পড়েছে বিদ্যুতের খুঁটি ও ছিঁড়ে গেছে সঞ্চালন লাইন। এতে পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে জনভোগান্তি দেখা দিয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) রাত আড়াইটার দিকে শুরু হওয়া ঝড় ভোর ৪টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ওপর দিয়ে বয়ে যায়। প্রায় দেড় ঘণ্টার এই ঝড়ে পৌরশহরসহ বিভিন্ন স্থানে বড় গাছ সড়কে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়।
জানা গেছে, পৌরশহরের মীরগঞ্জ বাজারে থাকা বিশাল আকারের বটগাছ হেলে গেছে। এর বড় ডালপালা ভেঙে পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১০-১২টি দোকানঘর। এছাড়া পুরোনো বটগাছ পড়ে গিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সুন্দরগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষসহ ৪টি ক্লাসরুম।
ঝড়ের সাথে অতি ভারী বর্ষণ হওয়ায় তলিয়ে গেছে কৃষকের অবশিষ্ট পাকাধানসহ বিভিন্ন পাটক্ষেত। ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন বেশকিছু কৃষক। এছাড়া বিভিন্ন এলাকায় বেশকিছু মানুষের ঘরবাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে ঝড়ে সবচেয়ে বেশি বিপর্যস্ত হয়েছে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা। সুন্দরগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পবিস) তথ্যমতে, অন্তত ১২টি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে গেছে এবং আরও ছয়টি খুঁটি হেলে পড়েছে। প্রায় ৩০টি স্থানে বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে গেছে। পাশাপাশি শতাধিক স্থানে গাছ পড়ে লাইনের ক্ষতি হয়েছে এবং ছয়টি ট্রান্সফরমার নষ্ট হয়েছে।
সুন্দরগঞ্জ পবিসের ডিজিএম মো. আব্দুল বারী জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে মোট ২১টি টিম কাজ করছে। ইতোমধ্যে জোনাল ম্যানেজারের নির্দেশনায় টেকনিক্যাল টিমও যোগ দিয়েছেন তাদের সাথে। যেহেতু ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ব্যাপক, তাই বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করতে যথেষ্ট সময় লাগবে
ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য জানতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।