

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় পেঁয়াজের জমিতে সেচ দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে কয়েকটি বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে উপজেলার গট্টি ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামে নুরু মাতুব্বর ও জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থকদের মধ্যে এ সহিংসতার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গট্টি ইউনিয়নে প্রভাব ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে নুরু মাতুব্বর ও জাহিদ মাতুব্বরের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। তারা উভয়েই দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তারা বিএনপিতে যোগ দেন। এরপর থেকে এলাকায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা নিয়ে একাধিকবার সহিংসতায় জড়িয়ে পড়েন। এসব ঘটনায় দুই নেতা আগেও কারাবরণ করেছেন।
জানা গেছে, চলমান বিরোধের জেরে বৃহস্পতিবার বিকেলে বালিয়া গ্রামের মাঠে পেঁয়াজের জমিতে পানি সেচ দেওয়া নিয়ে জাহিদ মাতুব্বরের সমর্থক মো. শহীদ শরীফ ও নুরু মাতুব্বরের সমর্থক জাহিদ শরীফের মধ্যে প্রথমে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এরই ধারাবাহিকতায় সন্ধ্যার পর বালিয়া বাজারে উভয় পক্ষের সমর্থকরা জড়ো হন।
একপর্যায়ে রাত ৮টার দিকে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষ চলাকালে অন্তত পাঁচটি বসতবাড়িতে হামলা ও পাল্টা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর এবং লুটপাট করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, খবর পেয়ে সালথা আর্মি ক্যাম্পের সেনাবাহিনী ও সালথা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
মন্তব্য করুন
