

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সম্প্রতি পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় অস্থায়ী গরুর বাজারকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় পদ হারালেন যুবদল নেতা’ শীর্ষক সংবাদের একটি বিবৃতি দিয়েছে কক্সবাজার জেলা যুবদল।
সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ আহমদ উজ্জ্বল ও সাধারণ সম্পাদক জিসান উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে প্রকাশিত সংবাদকে বাস্তবতাবিবর্জিত, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে উখিয়া উপজেলার রোহিঙ্গা ক্যাম্পসংলগ্ন এলাকায় দুটি পৃথক অস্থায়ী গরুর বাজার বসানো হয়। একটি উখিয়া উপজেলার অংশে এবং অপরটি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার অংশে অবস্থিত ছিল। নাইক্ষ্যংছড়ি অংশের বাজারটি পরিচালনা করেন স্থানীয় ঘুমধুম ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি। তার সঙ্গে ছিলেন উখিয়া পালংখালী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমানে বহিষ্কৃত নেতা ওসমান সরওয়ার। অপর বাজারটি পরিচালনা করেন তার আপন ভাই আনোয়ার।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, দুটি বাজার মুখোমুখি অবস্থানে থাকায় একপর্যায়ে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিষয়টি স্থানীয় নেতাকর্মীদের মাধ্যমে উখিয়া উপজেলা যুবদলের দায়িত্বশীল নেতারা অবগত হন এবং তাৎক্ষণিকভাবে উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জকে অবহিত করেন। পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে উপজেলা যুবদলের নেতারাও পুলিশকে সক্রিয় সহযোগিতা করেন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বহিষ্কৃত নেতা ওসমান সরওয়ার দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন বক্তব্য প্রদান, উসকানিমূলক আচরণ এবং দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত ছিলেন। উক্ত ঘটনায়ও তার আচরণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। পরবর্তীতে পুলিশ, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সচেতন মহলের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয়।
তাদের দাবি, উখিয়া উপজেলা যুবদলের কোনো দায়িত্বশীল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি বা অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বরং উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যুবদলের নেতারা প্রশাসনকে অবহিত করে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছেন।
তারা বলেন, একটি সাংগঠনিক সিদ্ধান্তকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চলছে। সংবাদকর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি প্রকৃত ঘটনা যাচাই-বাছাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে উত্থাপিত যেকোনো অভিযোগের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবিও জানায় কক্সবাজার জেলা যুবদল।