রবিবার
০৯ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
০৯ আগস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাসিনার সঙ্গে সেই নারী শিক্ষকের ফোনালাপের ভিডিও ভাইরাল

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৫৯ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লার এক নারী শিক্ষকের সঙ্গে ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জুমে কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওতে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের সাঙ্গিশ্বর হাইস্কুলের শিক্ষক মাছুমা হোসেনকে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলতে শোনা যায়।

রোববার (৯ আগস্ট) ৯ মিনিট ১৮ সেকেন্ডের ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

ভিডিওতে কবে, কোন প্রেক্ষাপটে, কী বিষয়ে জুমে কথোপকোথন হয়েছে এবং ভিডিওটি কীভাবে ধারণ করা হয়েছে–এসব বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি এশিয়া পোস্ট।

এশিয়া পোস্টের কাছে আসা ভিডিওটিতে দেখা যায়, জুমে ওই নারী শিক্ষকের সঙ্গে তার স্বামী গোলাম সারওয়ার মিজানও ছিলেন। দুজনে আলাদাভাবে কথা বলেন। আরেকটি ফ্রেমে একজন পুরুষকে হোস্টের ভূমিকায় দেখা যায়। একাংশে শেখ হাসিনার কণ্ঠসদৃশ কথা শোনা যায়। তবে ওই অংশে কারও চেহারা দৃশ্যমান ছিল না। শুধু ইংরেজিতে শেখ হাসিনা লেখা ভাসমান ছিল।

ভিডিওতে নারী শিক্ষক মাছুমা হোসেনকে নিজের কর্মস্থল ও পারিবারিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়। একপর্যায়ে তিনি বলেন, ‘মরা নিয়ে মৃত্যু ভয় পাই না। ওখানে আমার জবপ্লেস।’

ইংরেজিতে শেখ হাসিনা লেখা ফ্রেমের অংশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করতে শোনা যায়।

বিষয়টি নিয়ে জানতে নারী শিক্ষক মাছুমা হোসেনের ফোনে কল দিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তার ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

পরে তার কর্মস্থল সাঙ্গিশ্বর হাইস্কুলে যোগাযোগ করা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘তিনি (মাছুমা হোসেন) সাত দিনের ছুটির একটি দরখাস্ত দিয়ে গেছেন। তবে ছুটি এখনও মঞ্জুর হয়নি। যেহেতু তিনি স্কুলে অনুপস্থিত রয়েছেন, তাই বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সাঙ্গিশ্বর হাইস্কুলের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম মীর হোসেন বলেন, ওই শিক্ষিকাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া। পরে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন