

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কুমিল্লায় ট্রেন ও বাসের ভয়াবহ সংঘর্ষে ১২ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় বদলি গেটম্যানসহ আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় পৃথক অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-১ ও র্যাব-১১ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন কাওসার হোসেন (২০) ও নাজমুল হোসেন (৩৩)। নাজমুলকে গাজীপুর সদর উপজেলার রাজেন্দ্রপুর এলাকা থেকে এবং কাওসারকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর এলাকা থেকে আটক করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে র্যাবের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মিঠুন কুমার কুণ্ডু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র্যাব জানায়, দুর্ঘটনার দিন কাওসার অস্থায়ীভাবে গেটম্যানের দায়িত্ব পালন করছিলেন। মাত্র ৫০০ টাকার বিনিময়ে তিনি ওই দায়িত্ব নেন। তদন্তে তাঁর সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়ায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁদের লাকসাম রেলওয়ে থানা–এ হস্তান্তর করা হয়েছে।
লাকসাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন বলেন, গেটম্যান দায়িত্ব পালনের সময় যথাযথ সিগন্যাল অনুসরণ করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় র্যাব শশীদল এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি গেটম্যান হেলাল উদ্দীনকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।
তবে মামলার আরেক আসামি ওয়েম্যান মেহেদী হাসান এখনো পলাতক রয়েছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় আহত বাসযাত্রী শেফালী আক্তার গত সোমবার লাকসাম রেলওয়ে থানায় মামলা করেন। তিনি নিহত সোহেল রানার খালা।
উল্লেখ্য, গত শনিবার দিবাগত রাত ২টা ৫৫ মিনিটে পদুয়ার বাজার লেভেল ক্রসিংয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঢাকাগামী একটি ট্রেনের সঙ্গে ‘মামুন স্পেশাল’ নামের যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে ১২ জন নিহত হন এবং অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
মন্তব্য করুন