

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে বিশেষ অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত মিলাদ হোসেন বাবলু ওরফে ‘ছেনী বাবলু’সহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশ। এ সময় তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ, ইয়াবা, দেশীয় অস্ত্র ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জানায়, জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম, বিপিএম গত ৭ মে চট্টগ্রাম জেলায় যোগদানের পর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, সন্ত্রাস ও অপরাধ দমন এবং অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও মাদক উদ্ধারে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেন। তার নির্দেশনায় জেলার সব থানায় সন্ত্রাসবিরোধী ও অপরাধ দমনমূলক অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় সন্দ্বীপ থানার একটি বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত মিলাদ হোসেন বাবলু ওরফে ছেনী বাবলু (৩৫) এবং মো. জুয়েল রানা (৩৬)-কে।
পরে গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাহের বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩টি দেশীয় এলজি, ৪টি কার্তুজ, ১টি ছেনি, ৩১৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১টি চাপাতি এবং নগদ ১১ হাজার ২২০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, মিলাদ হোসেন বাবলু দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে এবং তার নামে ২০টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও মাদক সংক্রান্ত ঘটনায় পৃথকভাবে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
জেলা পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় পরিচালিত অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে এ পর্যন্ত জেলার ১৭টি থানা এলাকায় ১৩টি অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, ৯টি মামলা দায়ের এবং ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এছাড়া মাদকবিরোধী অভিযানে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৩টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ৯২ কেজি গাঁজা এবং অন্যান্য মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ১৫২টি মামলা দায়ের এবং ১৯৫ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্যদিকে ডাকাতি ও ডাকাতির প্রস্তুতি সংক্রান্ত ৫টি মামলায় ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বিভিন্ন ডাকাতির আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ জানিয়েছে, জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বিশেষ অভিযান চলমান থাকবে।