

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সাড়ে ১৯ ঘণ্টা ধরে গণনা শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার ঐতিহ্যবাহী কেল্লা বাবার মাজারের চারটি দানবাক্সে মিলেছে ১ কোটি ৩ লাখ ৩৫১ টাকা।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল থেকে শুরু হওয়া গণনা শেষ হয় মঙ্গলবার ভোরে। নগদ টাকার পাশাপাশি দানবাক্সে পাওয়া গেছে বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালংকারও।
এর আগে সোমবার ওরস শেষে সকাল ৯টায় মাজারের চারটি দানবাক্স খোলা হয়। আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও মাজার পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি তাপসী রাবেয়ার নেতৃত্বে শুরু হয় গণনা। মঙ্গলবার ভোর রাত সাড়ে ৪টার দিকে গণনা শেষ হয়।
বিপুল পরিমাণ টাকা গণনায় সোনালী ব্যাংকের প্রায় ৫০ জন কর্মকর্তা এবং মাজার শরিফ মাদ্রাসার অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেন। গণনা শেষে টাকা সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় শাখায় জমা দেওয়া হয়েছে।
মাজার-সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ১০ আগস্ট সাত দিনব্যাপী ওরস শুরু হয়। ১৪ আগস্ট রাতে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ওরস শেষ হয়। এ সময় দেশ-বিদেশ থেকে আসা হাজার হাজার ভক্ত-আশেকান মাজারের দানবাক্সে নগদ অর্থের পাশাপাশি সোনা-রুপা ও বৈদেশিক মুদ্রা দান করেন।
ভক্তদের দেওয়া পশুপাখি ও অন্যান্য সামগ্রীর হিসাব আলাদাভাবে করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, খড়মপুরের এই মাজার প্রায় ৭০০ বছরের পুরোনো। প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও বিদেশ থেকে বিপুলসংখ্যক ভক্ত এখানে আসেন।
মাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম (মিন্টু খাদেম) জানান, দানবাক্সে জমা পড়া অর্থের পরিমাণ প্রতিবছরই বাড়ছে। ২০২১ সালে ৬১ লাখ, ২০২২ সালে ৬৪ লাখ এবং ২০২৩ সালে ৮৪ লাখ টাকা পাওয়া গিয়েছিল।
তিনি বলেন, এবারই প্রথম মাজারের দানবাক্সে জমা পড়া অর্থ কোটি টাকার মাইলফলক ছাড়িয়েছে।


