

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বরগুনার আমতলী উপজেলায় পাঁচ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরের আওতায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ইজিপিপি কর্মসূচির অধীনে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
প্রকল্পের আওতায় কুকুয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে (পশ্চিম কেওয়াবুনিয়া আউটলেট থেকে হারুন গাজীর বাড়ি পর্যন্ত) এবং হলদিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে পশুরবুনিয়া খাল (হাতেম আলী সরদার বাড়ি থেকে কালিবাড়ি বাজার পর্যন্ত) পুনঃখনন করা হবে। আজ সকাল ১২ টায় কুকুয়া ইউনিয়নের কেওয়া বুনিয়া গ্রামে এ কাজের উদ্বোধন করা হয়। এ কাজে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ২৮ লাখ ৮২ হাজার ৮৩৭ টাকা।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা মোঃ অলিউল্লাহ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, খাল পুনঃখনন কার্যক্রম এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন এবং সংশ্লিষ্টদের কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জালাল উদ্দিন ফকির, ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা ওমর ফারুক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মোঃ তুহিন মৃধা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমতলী উপজেলা শাখার সভাপতি ইলিয়াস আহমেদ এবং উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি কবির উদ্দিন ফকিরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন আমতলী থানার অফিসার ইনচার্জ আবু সাহাদাৎ মোঃ হাসনাইন পারভেজ, কুকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন আহমেদ মাসুম, ইউনিয়ন সচিব মোঃ কাওছার আহমেদ, আমতলী সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম কাওসার মাদবর, সদস্য সচিব রাহাত তালুকদারসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) অ্যাডভোকেট মোঃ মাহবুবুল আলম। বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খালগুলোর নাব্যতা কমে যাওয়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছিল, যা কৃষি ও পরিবেশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছিল। পুনঃখনন কাজ সম্পন্ন হলে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত হবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং মৎস্য সম্পদ সমৃদ্ধ হবে।
স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনসহ সার্বিক পরিবেশের উন্নয়ন ঘটবে।
মন্তব্য করুন