

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় মিয়ানমারের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান আর্মির (এএ) তিন সদস্যকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে মিয়ানমারের মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আমতলী সীমান্ত এলাকা থেকে টহলরত বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করে। পরে আটককৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্র জানায়, সন্ধ্যার দিকে ঘুমধুম ইউনিয়নের আমতলী সীমান্ত দিয়ে তিনজন ব্যক্তি অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে সীমান্তে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যদের সন্দেহ হয়। এ সময় তাদেরকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তারা নিজেদের মিয়ানমারের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান আর্মির সদস্য বলে পরিচয় দেয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে মিয়ানমারের মুদ্রা উদ্ধার করা হয়।
নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বাতেন মৃধা বলেন, "সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবি তিনজনকে আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। প্রাথমিকভাবে তারা নিজেদের আরাকান আর্মির সদস্য বলে জানিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম পিবিজিএম, (পিএসসি) বলেন, "ঘুমধুম সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশের সময় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী তাদেরকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সীমান্তে বিজিবির টহল ও নজরদারি জোরদার রয়েছে।"
নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী যুগান্তরকে বলেন, “ঘুমধুম ইউনিয়নের আমতলী সীমান্ত এলাকা থেকে তিনজনকে বিজিবি আটক করেছে বলে জেনেছি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দেখছে এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় মিয়ানমার সীমান্ত ঘেঁষা বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে অনুপ্রবেশ ও মাদক পাচারের ঘটনা রোধে বিজিবি নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানান।
সাম্প্রতিক কালের কন্ঠে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎকার নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন
সাম্প্রতিক কালের কন্ঠে বক্তব্য নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ বিষয়ে মন্তব্য করেন।
পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৫ আগস্টের পর রাষ্ট্রপতি বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন বক্তব্য সামনে এসেছে এবং কথিত সাবেক প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ প্রসঙ্গেও ভিন্নমত দেখা গেছে। তার দাবি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি আগে যা বলেছিলেন এবং বর্তমানে যা বলছেন, তার মধ্যে অসঙ্গতি রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কোটি মানুষের কাছে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ এবং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে থাকা ব্যক্তির বক্তব্য ও অবস্থানের মধ্যে সামঞ্জস্য থাকা উচিত। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে এমন আচরণকে তিনি “অনভিপ্রেত” বলে মন্তব্য করেন।
পোস্টটি প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। সমর্থক ও সমালোচক উভয় পক্ষই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছেন। তবে সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রপতি ইস্যু ঘিরে চলমান বিতর্ক দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মন্তব্য করুন
