রবিবার
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাগেরহাটে কারিগরি ত্রুটির কারণে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২য় ইউনিট বন্ধ

বাগেরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand

কারিগরি ত্রুটির কারণে বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা থেকে ইউনিটটি সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। তবে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটে উৎপাদন স্বাভাবিক রয়েছে এবং সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, কারিগরি ত্রুটির কারণে দ্বিতীয় ইউনিটটি বন্ধ রয়েছে। এটি পুনরায় চালু করতে অন্তত চার দিন সময় লাগতে পারে। ইউনিটটি সচল করতে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।

তবে ঠিক কী ধরনের কারিগরি ত্রুটি দেখা দিয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি এই কর্মকর্তা।

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট বর্তমানে স্বাভাবিকভাবে চালু রয়েছে। এই ইউনিট থেকে নিয়মিত জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০১০ সালে। পরে ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও ভারতের এনটিপিসি লিমিটেডের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির আওতায় গঠিত হয় বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)।

এই কোম্পানির অধীনে রামপাল উপজেলার রাজনগর ও গৌরম্ভা ইউনিয়নের সাপমারী-কৈগর্দ্দাশকাঠি মৌজায় প্রায় ১ হাজার ৩৪ একর জমি অধিগ্রহণ করে ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট নির্মাণ করা হয়। প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা।

দীর্ঘ নির্মাণপ্রক্রিয়া শেষে ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়। পরের বছর ২০২৩ সালের ২৪ অক্টোবর দ্বিতীয় ইউনিটে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়। পরে ২০২৪ সালের ১২ মার্চ দ্বিতীয় ইউনিট আনুষ্ঠানিকভাবে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়।

তবে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর থেকে কারিগরি ত্রুটি ও বিভিন্ন কারণে কেন্দ্রটির উৎপাদন একাধিকবার বন্ধ হওয়ার খবর এসেছে। কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিট নতুন করে বন্ধ হওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় এর প্রভাব নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank