রবিবার
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরকীয়ার জেরে মা-ছেলে-নানী হত্যা, গ্রেপ্তার ৩ 

বাগেরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৪ পিএম
পরকীয়ার জেরে মা-ছেলে-নানী হত্যা, গ্রেপ্তার ৩ 
expand

বাগেরহাটের কচুয়ায় মা, ছেলে ও নানীকে হত্যার সাথে জড়িত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা একই এলাকার বাসিন্দা এবং পরস্পর নিকট আত্মীয়। পরকীয়ার কারণে সৃষ্ট বিবাদ থেকে এই হত্যাকান্ড ঘটেছে বলে দাবি পুলিশের।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাটের পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার মজিদ হাওলাদারের ছেলে রাজমিস্ত্রি জাহিদুল ইসলাম, সুলতান সেকের ছেলে আসাদুল শেখ এবং বারিক হাওলাদার এর ছেলে মোহাম্মদ আরিফ হাওলাদার ওরফে বাবু। গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে, নিহতদের ব্যবহৃত চারটি মুঠোফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সুপার বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর থেকে তথ্য প্রযুক্তি, স্থানীয় সোর্স ও গোয়েন্দা নজর দারির মাধ্যমে হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তৎপপর ছিল। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল শনিবার রাতে কচুয়া উপজেলার চান্দেরখোলা গ্রাম থেকে আসাদুল শেখ নামের আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আরিফ হাওলাদার বাবু নামের আরো এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে জাহিদুল নামের এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। জিজ্ঞাসাবাদে জানাযায়, এদের মধ্যে জাহিদুল এর সাথে হত্যার শিকার পরিবারটির এক নারীর পরকীয়া ছিল। এবং সেই বিষয়টি নিয়ে জাহিদুল এর পরিবারে অশান্তি হচ্ছিল এবং জাহিদুল এর সাথে হতাশিকার মুনিরা বেগমেরও বাকবিতণ্ডা হয় এই ঘটনা নিয়ে। এই কারণে জাহিদুল এই পরিবারটিকে হত্যার পরিকল্পনা করে এবং সেই অনুযায়ী আসাদুল ও আরিফকে সাথে নিয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

এর আগে ৪ আগস্ট সন্ধ্যায় কচুয়া উপজেলার চান্দেরখোলা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে একই পরিবারের তিন জনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এর দুই দিন আগে অর্থাৎ ২ আগস্ট বিকেল বিকেল থেকে তাদের কোন খোজ ছিল না। ওই দিন রাতেই হত্যার শিকার আহাদের বড় ভাই ফয়সাল হাওলাদার অজ্ঞাতনামা আসামি করে কচুয়া থানায় একটি হত্যা মামলার দায়ের করেন।

হত্যার শিকাররা হলেন, চান্দেরকোলা গ্রামের মৃত আবদার আলী হাওলাদারের ছেলে আহাদ হাওলাদার , আহাদের মা মনিরা বেগম, আহাদের নানী রাশিদা বেগম।রাশিদা বেগম বাগেরহাট সদর উপজেলার বৃষ্টিপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রশীদের স্ত্রী। মৃতদেহ উদ্ধারের পরের দিন ৫ আগস্ট তাদের দাফন সম্পন্ন হয়।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank