রবিবার
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
রবিবার
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোংলা বন্দরের সক্ষমতার সবটুকু ব্যবহারের পদক্ষেপ নেওয়া হবে: রবিউল আলম

বাগেরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:১৩ এএম
সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন, এবং রেল মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম
expand
সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন, এবং রেল মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম

সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন, এবং রেল মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, মোংলা বন্দরকে আরও ভালভাবে চালনা (ফাংশন) করার জন্য অনেক সুযোগ আছে। কিছু কিছু পদক্ষেপ গ্রহন করলে, এই বন্দরটি একটা পরিপূর্ণ সফল সামুদ্রিক বন্দর হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব। যা জাতীয় অর্থনীতি, আমদানি ও রপ্তানিতে ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, নৌ, রেল ও সড়ক পথ ইতোমধ্যে রয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা হয়েছে, কিছু পদক্ষেপ এই মুহুর্তে নেওয়া দরকার। আমি জ্ঞাত হয়েছি, করনীয় অনেকটা নির্ধারণ করতে পেড়েছি। সক্ষমতার সবটুকু ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এই বন্দরে অল্পকিছু সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে পারি, এটাকেও চিটাগং বন্দরের মত সফল-সক্ষম বন্দর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা যায়। সক্ষমতার শতভাগ ব্যবহার করতে চাই বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মোংলা সমুদ্র বন্দর পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এসময়, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমানসহ মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

বিগত সরকারের আমলে মোংলা বন্দর সংক্রান্ত হওয়া চুক্তির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমরা স্টাডি করব ওই চুক্তিগুলি। যদি সেটা দেশের স্বার্থ রক্ষা করে হয়, আমাদের জন্য সেটা সহায়ক হয়, আমাদের স্বার্থ যদি রক্ষা থাকে, নিশ্চিতভাবে (ডেফিনেটলি) সেটা করা যাবে। সবকিছুর আগে আমাদের বানিজ্য, অর্থনীতি, সার্বভৌমত্ব, সম্মৃদ্ধি দেশে সেটা প্রধান্যপাবে। সর্বোপরী আমাদের ন্যায্যতা কতটুকু প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেটা অবশ্যই থাকবে। আর যেখানে আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি, সেটা রাখা যাবে কিনা সেটা বিবেচনায় আসবে। আর রাখা না গেলেও তার একটা কার্যপদ্ধতি(প্রসিডিউর) আছে, সেটা মেইনটেইন করে আমাদের করতে হবে।

বন্দরের সুবিধার্থে রলপথ গতিশীল করা হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, খুলনা-মোংলা রেললাইন হয়েছে। এখন এখানে পর্যাপ্ত কোচ ও ইঞ্জিন নাই। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এনে একাধিক ট্রেন এখানে চালু করা হবে।

রেলখাতের সমস্যা সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, এখানে একটা জরাজীর্ণতা ছিল। রেললাইন মেরামতের টেন্ডার একসময় হচ্ছে, ইঝিঞ্জন আনার টেন্ডার একসময় হচ্ছে, কোচ আনার টেন্ডার একসময় হচ্ছে। রেললাইন তৈরি হয়ে বসে আছে, কোচ ও পর্যাপ্ত ইঞ্জিন এখনও আসেনি। আমরা আগামীতে যেসমস্ত রেললাইনগুলো করব, রেললাইন কয়দিনের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত হবে সেটা যেমন জানব। তারমধ্যে ইঞ্জিন ও কোচ এনে রেললাইন হয়ে যাওয়ার সাথে সাথে যাতে লাইনটা চালু করে দেওয়া যায় মানে ট্রেন যোগাযোগ শুরু করে দেওয়া যায় সেটা বিবেচনায় রেখে পরবর্তীতে কার্যক্রমগুলো হবে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X