

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর আম হাট পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ৯টায় তিনি উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বড় এই আমের হাটে যান।
এ সময় তিনি বিভিন্ন আড়ত ও দোকান ঘুরে দেখেন এবং আম ব্যবসায়ী ও চাষিদের সঙ্গে কথা বলেন। পরিদর্শনের সময় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল কাউন্সেলর এরিক গিলান, পলিটিক্যাল অফিসার চার্লস বেসনার্ডসহ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
হাটে ঘুরে রাষ্ট্রদূত বিভিন্ন জাতের আম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত কয়েক জাতের আমের স্বাদও গ্রহণ করেন। এ সময় ব্যবসায়ী ও চাষিরা তাঁকে রাজশাহীর আম উৎপাদন, বাজারজাতকরণ ও রপ্তানির সম্ভাবনা সম্পর্কে জানান।
ব্যবসায়ীরা বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূতের এ ধরনের সফর রাজশাহীর আমকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও পরিচিত করতে সহায়ক হবে।
স্থানীয় কৃষকেরা বলেন, রাজশাহীর আমের স্বাদ ও গুণগত মান দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও পরিচিত। বিদেশি কূটনীতিকদের এমন আগ্রহ কৃষিপণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়াবে।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রদূত হিসেবে রাজশাহীতে এটি আমার প্রথম সফর। এর আগে ২০২০ সালে একবার এসেছিলাম। তবে এবার বিশেষভাবে আমের মৌসুমে এসেছি, কারণ আমি রাজশাহীর আমের স্বাদ নিতে চেয়েছিলাম। এখানে আসতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত।’
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, কোনো পণ্য যেখানে উৎপাদিত হয়, সেখানে গিয়ে সেটি দেখা ও স্বাদ নেওয়ার অভিজ্ঞতার তুলনা নেই। সেখানে সবচেয়ে তাজা, বৈচিত্র্যময় ও সেরা পণ্য দেখার সুযোগ পাওয়া যায়।
বাংলাদেশের আম রপ্তানি প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আমেরিকানরা আম খুব পছন্দ করে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণত হিমায়িত আম বেশি পাওয়া যায়, যা শেক তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্রে আম পাওয়া গেলেও রাজশাহীর মতো এত তাজা আম পাওয়া কঠিন।
আম রপ্তানির সম্ভাবনা বাড়াতে বাংলাদেশে কোল্ড চেইন বা হিমাগার ব্যবস্থার উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেন ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
তিনি বলেন, সারা বছর আম সহজলভ্য রাখতে এবং হিমায়িত আম রপ্তানি বাড়াতে উন্নত কোল্ড চেইন ব্যবস্থা দরকার। এতে বাংলাদেশের আম উৎপাদন, সংরক্ষণ ও রপ্তানির সুযোগ আরও বাড়বে।