

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাবা কারাগারে, মা বাপের বাড়িতে। দীর্ঘদিন ধরে প্রায় একাই থাকত ১৩ বছরের তুহিন। সোমবার সকালে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজে সেই নিঃসঙ্গ ঘর থেকেই উদ্ধার হলো তার ঝুলন্ত মরদেহ।
নিহত তুহিন হাওলাদার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের দক্ষিণ চরমোন্তাজ পুরান বাজার সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা মো. মনির হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে চলতি বছরের জানুয়ারিতে তুহিনের মা শেফালী বেগম পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্বামী মনির হাওলাদারের বিরুদ্ধে মামলা করেন। গত মে মাসে হাজিরা দিতে গেলে ট্রাইব্যুনালের বিচারক মনির হাওলাদারকে কারাগারে পাঠান। মামলা দায়েরের পর থেকে মা শেফালী বাপের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তিন সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে স্বামীর বাড়িতে, ছোট মেয়ে মায়ের সঙ্গে নানাবাড়িতে। একা পড়ে ছিল মেজ ছেলে তুহিন।
প্রতিবেশীরা জানান, সোমবার সকালে দীর্ঘ সময় ধরে ঘরের দরজা বন্ধ দেখে তাঁদের সন্দেহ হয়। খোঁজ নিতে গিয়ে ঘরের ভেতরে তুহিনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান তাঁরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
পরিবারের দাবি, নিঃসঙ্গতাই তুহিনকে এই পথে ঠেলে দিয়েছে। তবে মা শেফালী বেগম বলছেন, তুহিন মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল।
চরমোন্তাজ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই বেলাল হোসেন বলেন, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানান তিনি।