

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যশোর অঞ্চলের রেল যোগাযোগ উন্নয়নে দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অভিযোগ তুলে নতুন আন্তঃনগর ট্রেনসহ পাঁচ দফা দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে “বৃহত্তর যশোর রেল যোগাযোগ উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি”। মঙ্গলবার এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৬ সালে গ্রহণ করা ঢাকা–যশোর পদ্মাসেতু রেল প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালে এবং এতে ব্যয় হয় প্রায় ৩৯ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা। কিন্তু প্রকল্পের নাম যশোরকেন্দ্রিক হলেও বাস্তবে যশোরবাসীকে কাঙ্ক্ষিত রেলসেবা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এমনকি একপর্যায়ে যশোরের যাত্রীদের ২০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে ট্রেন ধরার পরিকল্পনার খবর প্রকাশিত হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয় এবং ধারাবাহিক আন্দোলন গড়ে ওঠে।
সংগ্রাম কমিটির নেতারা জানান, নানা প্রতিবাদ-বিক্ষোভের পর প্রকল্প উদ্বোধনের দিনে যশোর একটি ট্রেন পেলেও তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। বর্তমানে দিনে একটি ট্রেন দুইবার যাতায়াত করছে, যা ব্যয়বহুল এই রেলপথের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করছে না।
তারা বলেন, প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রী বেনাপোল, যশোর, মোবারকগঞ্জ, কোটচাঁদপুর ও দর্শনা এলাকা থেকে ঢাকায় যাতায়াত করেন। কর্মজীবী মানুষদের সুবিধার কথা বিবেচনায় ভোরে যশোর থেকে ঢাকাগামী এবং সন্ধ্যায় ঢাকাফেরত ট্রেন চালুর দাবি দীর্ঘদিনের।
ভোরবেলা বেনাপোল থেকে যশোর–নড়াইল–ঢাকা রুটে একটি নতুন আন্তঃনগর ট্রেন চালু
দর্শনা (গেদে সীমান্ত) থেকে একই রুটে দুটি আন্তঃনগর ট্রেন চালু
ঢাকা–নড়াইল–যশোর–বেনাপোল/দর্শনা রুটে অন্তত একটি লোকাল ট্রেন সংযোজন
দর্শনা থেকে খুলনা পর্যন্ত ডাবল লাইন রেলপথ চালু
সুবিধাজনক স্থানে অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার টার্মিনাল (আইসিটি) স্থাপন
সব আন্তঃনগর ট্রেনে সাধারণ বগি যুক্ত করা
সংগ্রাম কমিটি মনে করে, এসব দাবি বাস্তবায়িত হলে যাত্রীসেবা যেমন বাড়বে, তেমনি রেলও আর্থিকভাবে লাভবান হবে এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।
স্মারকলিপির মাধ্যমে তারা প্রধানমন্ত্রীর সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন