

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় জ্বালানী তেল সংকটে দু'দিন ধরে প্রায় বন্ধ রয়েছে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের চৌমুহনীতে অবস্থিত একমাত্র পেট্রোল পাম্প মেসার্স ডাইভার ভিউ ফিলিং স্টেশন। পেট্রোল পাম্পটি বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক হাজার বাইক ও যানবাহন চালক। ডিপো থেকে তেল সরবরাহ না পাওয়ায় দুইদিন ধরে গ্রাহকদের চাহিদা মেটাতে পারছেনা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার চৌমুহনী এলালায় অবস্থিত মেসার্স ডাইভার ভিউ ফিলিং স্টেশনে (পেট্রোল পাম্প) তেল না থাকায় একপ্রকার নিরবতা বিরাজ করছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন তেল নিতে এসে না পেয়ে ফিরে যাচ্ছে। এলাকার বিভিন্ন কোম্পানির এজেন্টরাও তেল না পাওয়ায় প্রান্তিক পর্যায়ের হাট বাজারগুলোতে পরিবহনে করে মালমাল সরবরাহ করতে হিমসিম খাচ্ছে। দ্রুত এই তেল সমস্যার সমাধান চান ভোগান্তির শিকার লোকজন।
তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক মো. সাইদুল ইসলাম বলেন , আমি একজন ব্যবসায়ী। প্রতিদিন মোটরসাইকেল চালিয়ে বিভিন্ন বাজারে মালের অর্ডার কাটতে যেতে হয়। দুদিন পাম্পে আসলাম কিন্তু তেল নেই। অথচ সরকারি ভাবে বলা হচ্ছে দেশে তেলের অভাব নেই।
অপর ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমি পাশ্ববর্তী উপজেলা থেকে এসেছি। আগে প্রতিটি এলাকায় তেলের দোকান থেকেই তেল পেয়েছি। যুদ্ধের অজুহাতে তেলের সংকট তৈরি হওয়ায় এখন আার খুচরা দোকান গুলোতে তেল পাওয়া যায় না তাই নিরুপায় পাম্পে আসতে হয়। এখন পাম্পেও তেল নাই। গতকাল তেল না পেয়ে কসবায় থাকতে হয়েছে। ভেবেছিলাম আজ তেল আসবে এবং বাইকে তেল ভরেই বাড়ি যাব। কিন্তু দুর্ভাগ্য আজও তেল নাই। কি করব বুঝতে পারছি না। আমরা খবরে দেখি সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে দেশে তেলের অভাব নাই অথচ বাস্তবে আমরা পাচ্ছি না । দ্রুত আগের মতে পাম্পের পাশাপাশি খুচরা বাজারেও তেলের সরবরাহের দাবী জানাচ্ছি।
মেসার্স ডাইভার ভিউ ফিলিং স্টেশন মালিক পক্ষের প্রতিনিধি নাজমুল হাসান জানান, গত ৬ এপ্রিল আমরা পদ্মা ডিপো থেকে ৪৫০০ লিটার পেট্রোল ও অকটেন পেয়েছিলাম, যা দুদিন আগেই প্রায় শেষ হয়ে গেছে। শুধুমাত্র অতি জরুরী প্রয়োজন মেটাতে সামান্য পরিমান জ্বালানি আছে। নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না, কবে নাগাদ নতুন সরবরাহ পাওয়া যাবে । তবে আশা করছি সোমবার ডিপো থেকে তেল এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
তবে সচেতন মহল আশংকা করছেন দ্রুত জ্বালানী সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিবহন থেকে শুরু করে সকল খাতেই আরও বড় সংকট তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন