

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের পর এক প্রসূতির রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনার পর হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারীরা পলাতক রয়েছেন।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাত ২টা ৩০ মিনিটে দিকে উপজেলা সদরের আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। নিহত প্রসূতির নাম রাকিবা আক্তার (১৮)।
তিনি উপজেলার লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তার স্বামী শফিকুল ইসলাম। পিতা মিজান মিয়া ও মাতা রেহেনা আক্তার।
স্থানীয় ও স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, প্রসব ব্যথা শুরু হলে রাকিবা আক্তারকে নবীনগর সদরের আহমেদ প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. সৈয়দ কামরুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে তার সিজারিয়ান অপারেশন সম্পন্ন হয়। অপারেশনে অ্যানেস্থেশিয়ার দায়িত্বে ছিলেন ডা. নাসিম।
অভিযোগ রয়েছে, অপারেশনের কিছুক্ষণ পরই রোগীর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি স্বজনদের স্পষ্টভাবে না জানিয়ে দ্রুত একটি অ্যাম্বুলেন্স ডেকে অন্যত্র নেওয়ার চেষ্টা করে।
এ সময় রোগীর মা রেহেনা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়েকে গাড়িতে তোলার সময়ই সন্দেহ হয়। কাছে গিয়ে দেখি তার কোনো শ্বাস-প্রশ্বাস নেই। তখনই বুঝতে পারি, অপারেশনের পরই আমার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে।
স্বজনদের আরও দাবি, রোগীকে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার পর হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ও কর্মচারীরা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। ফলে কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতালে ভাঙচুর চালান। পরে খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
আহমেদ হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ফরিদ উদ্দিন আহমেদের মুঠোফোনে অসংখ্যবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
নবীনগর থানার তদন্ত কর্মকর্তা রাজিব কান্তি নাথ জানান, ঘটনার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাউকে পাওয়া যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদরে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসক ও কর্মচারীরা পলাতক রয়েছেন।
মন্তব্য করুন