

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের নোয়াগাঁও গ্রামে ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় লোকজন নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যান।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নোয়াগাঁও গ্রামের আব্দুর রব ও ফিরোজ মিয়া পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব শত্রুতা চলে আসছিল।
এ বিরোধের জের ধরে ঈদের নামাজ শেষে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষ চলাকালে লাঠিসোঁটা, দা ও অন্যান্য ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। সংঘর্ষ প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
খবর পেয়ে গোপলার বাজার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সংঘর্ষে জড়িতরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হতে পারে বলে জানা গেছে।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোনায়েম মিয়া জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যাতে নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে। তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, এ ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত স্থায়ী সমাধান ও প্রশাসনের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
মন্তব্য করুন