সোমবার
০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সোমবার
০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুন্সীগঞ্জে স্বর্ণ চুরি ও উদ্ধার ঘিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০১ মার্চ ২০২৬, ১১:১৫ পিএম
মুন্সীগঞ্জে স্বর্ণ চুরি ও উদ্ধার ঘিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
expand
মুন্সীগঞ্জে স্বর্ণ চুরি ও উদ্ধার ঘিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলায় স্বর্ণ চুরি ও উদ্ধার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীরা।

রোববার (১ মার্চ) দুপুরে উপজেলার শিলিমপুর এলাকায় সাংবাদিকদের কাছে তারা এ প্রতিবাদ জানান।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিলিমপুর এলাকার বাসিন্দা বালিগাঁও বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী রাজন মন্ডলের বাড়ি থেকে প্রায় ৩০ ভরি স্বর্ণ চুরি হয়। ঘটনার পর তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে দীর্ঘ সময়েও প্রশাসনের পক্ষ থেকে চুরি হওয়া স্বর্ণ বা অভিযুক্তদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করা হয়।

প্রায় পাঁচ মাস পর গত ২১ ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগী রাজন মন্ডল ও কয়েকজনের সহযোগিতায় সন্দেহভাজনদের সন্ধান পাওয়া যায়। তথ্যের ভিত্তিতে সোনারং এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে গিয়ে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় চুরি হওয়া স্বর্ণের একটি অংশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর দাবি, তার ভাগ্নি শ্রাবন্তীর কাছে স্বর্ণের একটি অংশ পাওয়া যায়। তার সঙ্গে ছিলেন তরঙ্গ শিকদার নামের এক যুবক। অভিযোগ রয়েছে, তারা স্বর্ণ নিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন।

অন্যদিকে, স্বর্ণ উদ্ধারের সময় উপস্থিত থাকা সুজন শিকদার বলেন, উদ্ধার হওয়া স্বর্ণ রাজন মন্ডলের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। তবে পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাকে ও কামরুল শেখকে জড়িয়ে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তবে রাজন মন্ডল ভিন্ন বক্তব্য দিয়ে বলেন, তরঙ্গ শিকদার তার ভাগ্নিকে প্রলোভন দেখিয়ে স্বর্ণ চুরিতে জড়ায় এবং তাকে নিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্বর্ণ উদ্ধারের সময় চুরি হওয়া সব স্বর্ণ ফেরত দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যে ভিন্নতা থাকায় প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে প্রশাসনের তদন্ত জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এবিষয়ে টঙ্গীবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল হক ডাবলু বলেন, চুরির ঘটনার পর চোরের সন্ধান পেলে আইন নিজের হাতে না নিয়ে দ্রুত পুলিশকে জানানো উচিত ছিল। তা হলে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তদের আটক এবং চুরি হওয়া সম্পূর্ণ স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারত।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন