

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পঞ্চগড়ে বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা উত্তরা গ্রীণ টি নামে একটি চা কারখানা চালু করার দাবিতে মানববন্ধন পালন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বাংলাদেশ চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে পঞ্চগড় জেলার ক্ষুদ্র চা চাষী ও শ্রমিকবৃন্দ এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।
এসময় চা চাষীরা অভিযোগ করে বলেন, পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার কেচারা পাড়া এলাকায় ২০২০ সালের শুরুতে উৎপাদন শুরু করে। দীর্ঘদিন ধরে কারখানা চাষীদের কাছে নায্যমূল্য চা পাতা কিনছে। তবে ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসের দিকে নিবন্ধন না থাকার কারণে বন্ধ করে দেয় বাংলাদেশ চা বোর্ড। এতে কারখানাতে চা পাতা দেয়া সহস্রাধিক চা চাষী বিপাকে পড়েছেন। গত চা মৌসুমে সমতলের চা জাতীয় উৎপাদনে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। কারখানাটি এবার বন্ধ থাকলে জাতীয় উৎপাদনে বিরূপ প্রভাব ফেলবে এবং চা চাষীরা ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। চা কারখানা বন্ধ থাকলে সিন্ডিকেট চক্র সক্রিয় হয়ে চাষীদের দামে কর্তন, ওজনে কর্তন করে পূর্বের মত নানা সমস্যার সৃষ্টি করবে।
বক্তারা আরো বলেন, যদি কারখানার সাথে চা বোর্ডের অফিশিয়াল কাগজপত্রের বিষয় থেকে থাকে তাহলে তারা সেভাবে সমাধান করবে। আগামী ১লা মার্চ থেকে নতুন মৌসুমে কারখানা যেন চা পাতা কেনা শুরু করতে পারে। এজন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চা বোর্ডের প্রতি আবেদন।
পরে বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান বরাবরে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন চা চাষীরা। স্মারকলিপি গ্রহণ করে উর্ধ্বতন কর্মকতাদের কাছে পৌছানোর কথা জানান চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়ের ফার্ম সুপারভাইজার মেহেদী হাসান। এসময় চা চাষী রফিকুল ইসলাম, সোহেল রানা, রফিকুল ইসলাম আর্মি, পঞ্চগড় চা বাগান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মানিক খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
বাংলাদেশ চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমির হোসেন বলেন, কারখানাটি নিবন্ধন না করা সহ কাগজপত্রের নানা জটিলতায় মাড়াই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তবে এটি বন্ধ না রেখে চা বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্মকতারা জরিমানা করে চালু করে দিতে পারে। সামনে শুনানি হবে এবিষয়ে তখন বিস্তারিত জানা যাবে।
মন্তব্য করুন
