

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হবিগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস এম ফয়সাল জেলা-রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠিত নেতা ও প্রভাবশালী ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত।
ফয়সাল মাধবপুরের নোয়াপাড়ায় সায়হাম গ্রুপের মালিকানা দেখভাল করেন। তার নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং এলাকায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে। তার সন্তান ইশতিয়াক সায়হাম গ্রুপের দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
রাজনৈতিক ইতিহাসে ফয়সাল বহুবার হবিগঞ্জ-৪ আসনে নির্বাচন করেছিলেন, তবে সফল হননি। তবু তিনি নিজ অর্থ থেকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দেওয়া হলফনামায় ফয়সাল তার বার্ষিক আয় ১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা উল্লেখ করেছেন। তবে একই সঙ্গে তার ঋণের পরিমাণ ১,৯১৬ কোটি টাকা, যা ব্যবসায়িক ঋণের পরিপ্রেক্ষিতে আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে সচেতন মহলে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে।
হলফনামায় তার স্ত্রীর বাৎসরিক আয়ের কোনো তথ্য উল্লেখ না থাকলেও স্ত্রীর নামে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ দেখানো হয়েছে ৩৩ কোটি ৮৩ লাখ ২২ হাজার ৯৪৭ টাকা, যা স্বামীর ঘোষিত সম্পদের চেয়েও বেশি।
অর্থনীতিবিদ ও গণমাধ্যম কর্মীদের মতে, আয়ের সঙ্গে ট্যাক্সের তথ্য গোপন করা হলে তা সুস্পষ্ট প্রতারণার বিষয় হতে পারে। তারা বলেছেন, আয়কে বৈধভাবে প্রদর্শন করা এবং যথাযথ ট্যাক্স প্রদানের মাধ্যমে সম্পদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ।
ফয়সাল তার হলফনামায় আয়ের তথ্য দেওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও শিল্প-উন্নয়নেও সক্রিয়। তবে অর্থনৈতিক প্রভাবশালী এই নেতা এবং তার পরিবারের সম্পদ-আয়ের বিষয়টি এখন নতুন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে সচেতন মহল মনে করছেন, নির্বাচনী প্রার্থীর হলফনামা শুধু রাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তা নয়, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্যও স্বচ্ছতার প্রতীক হওয়া উচিত।
এ বিষয়ে এস এম ফয়সাল বলেন, আমি হলফনামায় যা দিয়েছি তা শতভাগ সত্য।
মন্তব্য করুন
