

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


গরমের দাপটে এসি এখন আর শখ বা বিলাসবহুল কোনো বিষয় নয়, শহরের জীবনে স্বস্তিতে বেঁচে থাকার জন্য এটি একদম নিত্যপ্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এসি কেনার আনন্দের পরেই যে বড় দুশ্চিন্তা সামনে আসে, তা হলো মাস শেষের বিদ্যুৎ বিল।
সাধারণত মাঝারি ঘরের জন্য আমরা ১.৫ টনের এসি বেছে নিই। কিন্তু একই ক্ষমতার এসি হলেও তাদের স্টার রেটিংয়ের কারণে বিদ্যুৎ বিলে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা যায়।
একটি ৫-স্টার ১.৫ টন এসি সাধারণত প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ০.৮ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। দিনে গড়ে ৮ ঘণ্টা চালালে দৈনিক ৬ থেকে ৬.৫ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়, যা টাকার অঙ্কে দিনে প্রায় ৫০ টাকার মতো। অর্থাৎ মাস শেষে বিল দাঁড়ায় প্রায় ১৪০০ থেকে ১৬০০ টাকার মধ্যে।
অন্যদিকে, ৩-স্টার এসি প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ১.১ ইউনিট বিদ্যুৎ টানে। একই নিয়মে প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা চালালে দৈনিক ৮-৯ ইউনিট খরচ হয়ে মাস শেষে বিল ১৮০০ থেকে ২২০০ টাকায় পৌঁছে যায়।
এই হিসেব থেকে স্পষ্ট যে, একটি ৫-স্টার এসি ব্যবহার করলে প্রতি মাসে অন্তত ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব। যদিও কেনার সময় ৫-স্টার এসির দাম কিছুটা বেশি পড়ে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎ বিলের টাকা বাঁচিয়ে সেই বাড়তি দাম পুষিয়ে যায়।
এছাড়া বর্তমানে জনপ্রিয় ইনভার্টার প্রযুক্তি ঘরের তাপমাত্রা বুঝে কম্প্রেসরের গতি কমায়-বাড়ায়, যা অপ্রয়োজনীয় খরচ কমায় এবং এসির আয়ু বাড়িয়ে দেয়।
তবে শুধু প্রযুক্তির ওপর নির্ভর না করে ঘরের তাপমাত্রা ২৪-২৬ ডিগ্রিতে রাখা, ঘর ভালোভাবে বন্ধ রাখা আর নিয়মিত সার্ভিসিং করালেও বিদ্যুৎ বিল অনেক কম আসে।