

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক কার্গো জাহাজে ড্রোন হামলার ঘটনার পর ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের দাবি, যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের জবাব হিসেবেই এই সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি ‘বোকামিপূর্ণভাবে লঙ্ঘনের’ অভিযোগ তোলেন। হামলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কী পদক্ষেপ নেবে, তা শিগগিরই দেখা যাবে। এর কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিযানের ঘোষণা আসে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, অভিযানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং উপকূলীয় রাডার স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। সেন্টকমের ভাষ্য, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার পর এটি ছিল ‘শক্তিশালী জবাব’।
বৃহস্পতিবার একটি একমুখী (ওয়ান-ওয়ে) ড্রোন একটি কার্গো জাহাজে আঘাত হানে। এতে কেউ হতাহত না হলেও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ে এবং ওই অঞ্চলে অবস্থানরত হাজারো নাবিককে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, বাণিজ্যিক নৌযানের ওপর হামলা সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি সমঝোতার স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে অবাধ নৌচলাচলকে হুমকির মুখে ফেলেছে। একই সঙ্গে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে মার্কিন বাহিনী সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলেও জানিয়েছে সেন্টকম।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা বেড়ে যায়। পরে ১৭ জুন উভয় পক্ষ একটি অন্তর্বর্তী সমঝোতায় পৌঁছায়, যেখানে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে সর্বশেষ এই হামলা ও পাল্টা হামলার পর সেই সমঝোতার ভবিষ্যৎ নিয়ে আবারও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা