

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বজুড়ে আতঙ্কের নাম ছিল কোভিড-১৯। ২০২০ সালের করোনা মহামারির সেই আতঙ্কের রেশ যেন আজও পুরোপুরি কাটেনি। এরই মধ্যে ভারতে আবারও কোভিড-১৯ সংক্রমণের খবর সামনে এসেছে।
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে ৮ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে এবং দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় রাজ্যজুড়ে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে আলাদা ওয়ার্ড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবেশী রাজ্য ওডিশাও অন্ধ্রপ্রদেশ-সংলগ্ন জেলাগুলোতে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাড়তি সতর্কতা জারি করেছে। খবরটি প্রকাশের পর অনেকের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হলেও চিকিৎসকরা বলছেন, আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।
হিন্দুস্তান টাইমস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, চিকিৎসকদের মতে বর্তমান পরিস্থিতি নতুন কোনো মহামারির ইঙ্গিত নয়। কোভিড-১৯ এখন বিশ্বের অনেক দেশের মতোই একটি এনডেমিক রোগে পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ এটি পুরোপুরি নির্মূল হয়নি, বরং বছরের বিভিন্ন সময় সীমিত আকারে ফিরে আসে।
মুম্বাইয়ের গ্লেনইগলস হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট, চেস্ট ফিজিশিয়ান ও ব্রঙ্কোস্কোপিস্ট ডা. হরিশ চাপলে বলেন, বর্তমানে অধিকাংশ কোভিড সংক্রমণই মৃদু ধরনের এবং খুব কম রোগীকেই হাসপাতালে ভর্তি হতে হচ্ছে। তবে বয়স্ক ব্যক্তি এবং দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন এমন রোগীদের বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। তাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত হাসপাতালে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন তিনি।
প্রথম মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটে গত ২৮ জুন। ৬০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি গুরুতর ফুসফুসের সংক্রমণ, কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপসহ একাধিক জটিল রোগে আক্রান্ত ছিলেন। মৃত্যুর পর করা আরটি-পিসিআর পরীক্ষায় তার শরীরে কোভিড-১৯ সংক্রমণ শনাক্ত হয়।
দ্বিতীয় মৃত্যুর ঘটনা ঘটে অন্ধ্রপ্রদেশের কড়াপা জেলায়। ৪৬ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি গুরুতর ফুসফুসের সংক্রমণ ও সংশ্লিষ্ট জটিলতায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। পরে তার সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের পরীক্ষা করলে ৪০টি নমুনার মধ্যে ৮ জনের করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয়।
এদিকে মুম্বাইয়ে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কুমার শানুর ছেলে জান কুমার শানুও কোভিড-১৯ আক্রান্ত হন। তিনি জানান, গত ১২ জুলাই পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বর্তমানে তিনি সুস্থ হয়ে উঠছেন।
