

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ডিএনএ পরীক্ষায় বেলজিয়ামের রাজপরিবারের সঙ্গে রক্তের সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়ার পর ২৬ বছর বয়সে রাজপুত্রের মর্যাদা পেয়েছেন দেশটির এক যুবক।
ক্লেমঁ ভানদেনকারখোভের বাবা বেলজিয়ামের রাজা ফিলিপের ছোট ভাই প্রিন্স লরাঁ ডিএনএ পরীক্ষায় তা নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে আইনিভাবে রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
ক্লেমঁর মা বেলজিয়ান গায়িকা ওয়েন্ডি ভান ওয়ানতেন। নব্বইয়ের দশকে প্রিন্স লরাঁর সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। তবে সেই সম্পর্ক বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ক্লেমঁর বয়স যখন ১৬ বছর, তখন প্রায় এক দশক আগে তার মা তাকে জানান, প্রিন্স লরাঁই তার বাবা।
চলতি সপ্তাহে জানা যায়, প্রায় ছয় মাস আগে স্থানীয় একটি টাউন হলে ঘরোয়া এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ক্লেমঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে লরাঁর ছেলে ও উত্তরাধিকারী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এর আগে ডিএনএ পরীক্ষায় তাদের পিতা-পুত্রের সম্পর্ক নিশ্চিত হয়।
বেলজিয়ামের বেসামরিক নিবন্ধন ব্যবস্থায় ক্লেমঁর পিতৃত্বও আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধন করেছেন প্রিন্স লরাঁ।
এর ফলে লরাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে তার অন্য সন্তানদের মতো সমান উত্তরাধিকার অধিকার পেয়েছেন ক্লেমঁ। লরাঁর স্ত্রী প্রিন্সেস ক্লেয়ারের সঙ্গে তার তিন সন্তান ২০ বছর বয়সী প্রিন্সেস লুইজ এবং ২০ বছর বয়সী প্রিন্স নিকোলা ও ১৯ বছর বয়সী প্রিন্স আইমেরিক।
তবে রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে স্বীকৃতি পেলেও ক্লেমঁ কোনো রাজকীয় ভাতা পাবেন না। তাকে কোনো সরকারি দায়িত্বও পালন করতে হবে না। এমনকি বেলজিয়ামের সিংহাসনেরও কোনো অধিকার থাকবে না তার।
যদিও বেলজিয়ামের রাজপরিবারে এমন গোপন সম্পর্ক ও সন্তানের ঘটনা অবশ্য এবারই প্রথম নয়।
প্রিন্স লরাঁর বাবা, সাবেক রাজা আলবার্ট দ্বিতীয়, বহু বছর ধরে এক পিতৃত্বের মামলায় জড়িয়ে ছিলেন। শেষ পর্যন্ত ২০২০ সালে তিনি স্বীকার করেন, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের মাধ্যমে তার একটি কন্যাসন্তান জন্মেছিল।
ডেলফিন বোল নামের ওই নারী দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর রাজকন্যার মর্যাদা পান। বর্তমানে তিনি ‘ডেলফিন দ্য সাক্সে-কোবুর্গ’ নাম ব্যবহার করেন।


