

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইরানের সঙ্গে চুক্তি মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইতিবাচক ঘোষণা এবং হরমুজ প্রণালী বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য এখন থেকে সম্পূর্ণ উন্মুক্ত বলে ইরানের ঘোষণার পরই স্বর্ণের দামে বড় পরিবর্তন এসেছে।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিজনেস টাইমস ও রয়টার্স পৃথক প্রতিবেদনে জানায়, মার্কিন ডলারের মান এবং ট্রেজারি ইল্ড (লভ্যাংশ) পড়ে যাওয়ায় খাঁটি স্বর্ণের দাম ২.১ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। মার্কিন মুদ্রা এবং সুদের হার কমে যাওয়া স্বর্ণের জন্য ইতিবাচক। কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ডলারে নির্ধারিত হয় এবং এতে কোনো সুদ দিতে হয় না।
খবরে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির আশাবাদ বাড়ায় গত কয়েক দিনে স্বর্ণ যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা কাটিয়ে উঠেছে। তবে ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম প্রায় ৮ শতাংশ কম রয়েছে। নিউ ইয়র্ক সময় সকাল ৯টা ৩৭ মিনিটে স্পট গোল্ডের দাম ১.৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪,৮৬৪.৫১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। রূপার দাম ৫ শতাংশ বেড়েছে এবং প্ল্যাটিনাম ও প্যালাডিয়াম—উভয় ধাতুর দামই ঊর্ধ্বমুখী। ডলার স্পট ইনডেক্স ০.৫ শতাংশ কমেছে।
জ্যানার মেটালসের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং সিনিয়র মেটাল স্ট্র্যাটেজিস্ট পিটার গ্রান্ট বলেন, ‘প্রণালীটি পুনরায় খুলে দেওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল। তেলের দাম কমতে থাকায় এটি মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগ কমাবে এবং সুদের হার হ্রাসের প্রত্যাশাকে পুনরুজ্জীবিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে—যার সবই স্বর্ণের জন্য ইতিবাচক খবর।’
তিনি বলেন, ‘স্বল্পমেয়াদে স্বর্ণের দাম পুনরায় প্রতি আউন্স ৫,০০০ ডলারের উপরে উঠে যেতে পারে।’
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক্সে লিখেছেন, ‘লেবাননে যুদ্ধবিরতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে, যুদ্ধবিরতির বাকি সময়ের জন্য সকল বাণিজ্যিক জাহাজের যাতায়াতের সুবিধার্থে হরমুজ প্রণালী সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ঘোষণা করা হলো। জাহাজগুলো ইরানি কর্তৃপক্ষের পূর্বঘোষিত সমন্বিত পথ অনুসরণ করে চলাচল করতে পারবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান দীর্ঘমেয়াদি পারমাণবিক অস্ত্র না রাখার প্রস্তাব দিয়েছে এবং দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছি।’
মন্তব্য করুন
