সোমবার
১২ জানুয়ারি ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সোমবার
১২ জানুয়ারি ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার সর্বশেষ আপডেট

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৫, ১১:৪০ পিএম
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার সর্বশেষ আপডেট
expand
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার সর্বশেষ আপডেট

গাজামুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলাকে ঘিরে এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র নজরদারি চলছে। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিশ্লেষণ দিয়েছেন মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞ সাবিনা আহমেদ।

তিনি লিখেছেন, এখন পর্যন্ত কেন ইসরায়েলি বাহিনী (আইডিএফ) সরাসরি আলমা বা সিরিয়াস জাহাজে ওঠেনি কিংবা আক্রমণ করেনি-এর পেছনে বেশ কিছু কূটনৈতিক ও সামরিক কারণ রয়েছে। মূলত তুর্কি নৌবাহিনীর এসকর্ট এবং নজরদারি ড্রোনের উপস্থিতি ইসরায়েলকে সতর্ক করেছে। তুরস্কের সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষে জড়াতে চাইছে না তারা। এছাড়া গ্রেটা থুনবার্গের মতো বিশ্বখ্যাত ব্যক্তির অংশগ্রহণ, জাতিসংঘের সতর্কবার্তা এবং আন্তর্জাতিক চাপ ইসরায়েলকে আপাতত কেবল হুমকি ও সাইবার আক্রমণে সীমাবদ্ধ রেখেছে।

সাবিনা আহমেদের তথ্যমতে, ফ্লোটিলা বর্তমানে গাজা থেকে প্রায় ৯০ নটিক্যাল মাইল দূরে। তারা ইতিমধ্যে ১৫০ নটিক্যাল মাইলের উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ লাইন অতিক্রম করেছে। এমনকি আগের ফ্লোটিলাগুলোর ইন্টারসেপশন পয়েন্ট-যেমন ম্যাডলিন (১১০ নটিক্যাল মাইল) এটিও পেরিয়ে গেছে। ফলে ধীরে ধীরে গাজার কাছে পৌঁছালেও ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে।

প্রথমদিকে ইতালির ফ্রিগেট আলপিনো এবং স্পেনের প্যাট্রোল ভেসেল ফুরোর ফ্লোটিলাকে এসকর্ট করলেও ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে ঢোকার আগে তারা সরে যায়। সুমুদ কর্তৃপক্ষ একে “সাবোটাজ” বলে আখ্যায়িত করেছে। কারণ তাদের সরে যাওয়ার পরপরই ইসরায়েলি যুদ্ধজাহাজ ফ্লোটিলার মূল জাহাজ আলমাকে ঘিরে ফেলে।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক পানিতে, গাজা থেকে প্রায় ১১৮ নটিক্যাল মাইল দূরে, ইসরায়েলি জাহাজ ফ্লোটিলার দুইটি বোট-আলমা ও সিরিয়াস-কে ঘিরে ফেলে। আক্রমণাত্মকভাবে চক্কর দেওয়া, যোগাযোগ ব্যাহত করা এবং সাইবার আক্রমণের মাধ্যমে তাদের লাইভস্ট্রিম ও নেভিগেশন সিস্টেমে বিঘ্ন ঘটানো হয়। তবে সরাসরি কোনো বোর্ডিং বা বিস্ফোরণ হয়নি।

তুরস্ক জানিয়েছে, তারা ফ্লোটিলার ওপর নিবিড় নজর রাখছে। জরুরি প্রয়োজনে সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে নৌবাহিনী। অতীতে ড্রোন দিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম চালালেও বর্তমানে সরাসরি এসকর্ট দিচ্ছে না। তবে প্রয়োজনে ড্রোন পাঠানো হবে বলে আশ্বস্ত করেছে।

ফ্লোটিলা মিশন এগিয়ে চলছে, তবে তা অত্যন্ত টেনশনপূর্ণ। সাবিনা আহমেদের মতে, বিশ্ব জনমতের চাপ, আন্তর্জাতিক সমর্থন এবং তুরস্কের তৎপরতাই এই যাত্রার নিরাপত্তার মূল ভিত্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X