

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


শুরুতে পিছিয়ে পড়েছিল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। কিন্তু অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেসের দুর্দান্ত হ্যাটট্রিকে ম্যাচের চিত্রই বদলে গেল। ইপসউইচ টাউনকে শেষ পর্যন্ত ৫-২ গোলে হারিয়ে নতুন প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমে প্রথম জয়ের দেখা পেল রেড ডেভিলরা।
রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে ইপসউইচের মাঠে অবশ্য শুরুটা ছিল স্বাগতিকদের পক্ষে। ২৯ মিনিটে লেইফ ডেভিসের গোলে এগিয়ে যায় ইপসউইচ। এর আগে গত সপ্তাহে নবাগত হালের কাছে ২-০ গোলে হেরে আসা ইউনাইটেডের জন্য ম্যাচটি তাই আরও কঠিন হয়ে উঠেছিল।
তবে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই সমতায় ফেরে ইউনাইটেড। ম্যাথেউস কুনহার কাছ থেকে বল পেয়ে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে গোল করেন ফার্নান্দেস। বিরতির পর আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠে ইউনাইটেড। জ্যাকব গ্রিভসের আত্মঘাতী গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ার পর পেনাল্টি থেকে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ফার্নান্দেস।
এরপরও থামেননি পর্তুগিজ মিডফিল্ডার। কাছ থেকে আরেকটি গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি। পরে তার তৈরি করে দেওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্রায়ান এমবুমো ইউনাইটেডের হয়ে পঞ্চম গোলটি করেন।
শেষ দিকে লিসান্দ্রো মার্তিনেজের ভুলের সুযোগ নিয়ে ইপসউইচ আরও একটি গোল শোধ করলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ তখন পুরোপুরি ইউনাইটেডের হাতে। শেষ পর্যন্ত ৫-২ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে মাইকেল ক্যারিকের দল।
ইপসউইচের বিপক্ষে ইউনাইটেডের শুরুর একাদশে চারটি পরিবর্তন এনেছিলেন কোচ ক্যারিক। প্রায় দুই বছর পর প্রথমবার লিগের ম্যাচে শুরুর একাদশে ফিরেছেন মার্কাস রাশফোর্ড। কোবি মাইনুওর প্রত্যাবর্তনও দলের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
তবে পাঁচ গোলের বড় জয় পেলেও ইউনাইটেডের রক্ষণ নিয়ে পুরোপুরি স্বস্তি পাওয়ার সুযোগ নেই। ম্যাচের শুরুতেই হুলিও এনসিসো গোলরক্ষক সেন্নে লামেন্সকে একা পেয়েও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। পরে লামেন্সের দুর্দান্ত সেভে আরও একটি বিপদ থেকে বেঁচে যায় ইউনাইটেড।
গত মৌসুমে সতীর্থ পেশাদার ফুটবলারদের ভোটে বর্ষসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছিলেন ফার্নান্দেস। ২০২৪-২৫ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে তার ২১টি অ্যাসিস্ট ছিল ইউনাইটেডের অন্যতম বড় শক্তি। একই মৌসুমে লিগে ৯ গোলও করেছিলেন তিনি।


