

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আর্জেন্টাইন ফুটবল কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার নাম এলেই চলে আসে ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেই ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের কথা। ঐতিহাসিক সেই ম্যাচের বলটি এবার ৩৩ লাখ ৫০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছে। যা বাংলাদেশি মূদ্রায় প্রায় ৪১ কোটি টাকা।
ক্রীড়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ইএসপিএন এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, শনিবার সন্ধ্যায় হেরিটেজ অকশনসের নিলামে ‘অ্যাডিডাস অ্যাজটেকা’ বলটি ৩৩ লাখ ৫০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়। তবে ডালাসভিত্তিক নিলামকারী প্রতিষ্ঠানটি এক কোটি ডলার দাম প্রত্যাশা করেছিল। প্রতিষ্ঠানটি এই বলটিকে ‘সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ফুটবল’ হিসেবে বিবেচনা করেছিল।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার ২-১ ব্যবধানের জয়ে দুটি গোলই করেছিলেন ম্যারাডোনা। তার প্রথম গোলটি ‘হ্যান্ড অব গড’ হিসেবে পরিচিত, যেখানে তিনি ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক পিটার শিলটনকে ফাঁকি দিয়ে হাত দিয়ে বল জালে জড়িয়েছিলেন।
ঐতিহাসিক সেই ম্যাচের পর ম্যারাডোনা বলেছিলেন, ‘গোলটি ছিল কিছুটা মাথা দিয়ে আর কিছুটা ‘ঈশ্বরের হাত’ দিয়ে করা।’
আর্জেন্টাইন অধিনায়ক এরপর একই ম্যাচে আরেকটি গোল করেন, যা পরে ফিফা কর্তৃক ‘শতাব্দীর সেরা গোল’ (গোল অব দ্য সেঞ্চুরি) হিসেবে নির্বাচিত হয়। মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে একা দৌড়ে ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের কাটিয়ে এবং গোলরক্ষক শিলটনের মাথার ওপর দিয়ে হালকা আলতো টোকায় বল জালে জড়িয়ে আর্জেন্টিনাকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে নিয়েছিলেন ম্যারাডোনা।
১৯৮৬ সালের সেই ম্যাচে রেফারির দায়িত্বে থাকা তিউনিসিয়ার আলি বিন নাসের ম্যাচ শেষে বলটি নিজের সংগ্রহে নিয়েছিলেন এবং দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তা নিজের কাছে রেখেছিলেন।
২০২৩ সালে তিনি একটি চিঠিতে স্বাক্ষর করে নিশ্চিত করেন যে, এটিই ছিল ওই ম্যাচে ব্যবহৃত একমাত্র বল। পরবর্তী সময়ে নিরপেক্ষভাবেও এর সত্যতা যাচাই করা হয়।
এর আগে ২০২২ সালে বিন নাসের বলটি ২৩ লাখ ৭০ হাজার ডলারে বিক্রি করেছিলেন। ২০২৩ সালে এটির নতুন মালিক বলটি আবার নিলামে তুললেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় তা বিক্রি করতে পারেননি।
প্রসঙ্গত, একই ম্যাচে ম্যারাডোনার পরিহিত জার্সিটি ২০২২ সালে লন্ডনের এক নিলামে তৎকালীন রেকর্ড দামে ৯২ লাখ ৮০ হাজার ডলারে বিক্রি হয়েছিল।


