

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব লিভারপুলের প্রায় এক তৃতীয়াংশ মালিকানা কিনেছে অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোস-সমর্থিত ১৮৯২ হোল্ডিংস কনসোর্টিয়াম। তবে এই বিনিয়োগের পরও লিভারপুলের মূল নিয়ন্ত্রণ থাকছে বর্তমান মালিক ফেনওয়ে স্পোর্টস গ্রুপের (এফএসজি) হাতে।
ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মালিকানা হস্তান্তরের চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। তবে এটি কার্যকর হওয়ার আগে প্রিমিয়ার লিগ এবং যুক্তরাজ্যের স্বাধীন ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন প্রয়োজন।
২০১০ সালে আর্থিক সংকটের মধ্যে থাকা লিভারপুলকে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন পাউন্ডে কিনেছিল এফএসজি। দেড় দশকের বেশি সময়ে ক্লাবটির আর্থিক মূল্য ও বাণিজ্যিক অবস্থানে বড় পরিবর্তন এসেছে। নতুন বিনিয়োগের ভিত্তিতে লিভারপুলের মোট মূল্যায়ন করা হয়েছে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার বা ৫.২ বিলিয়ন পাউন্ড।
১৮৯২ হোল্ডিংসের নেতৃত্বে রয়েছেন অমিত ভাটিয়া। ভারতীয় ধনকুবের ও ইস্পাত ব্যবসায়ী লক্ষ্মী মিত্তালের জামাতা ভাটিয়া লিভারপুলের ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্বও নেবেন।
লিভারপুলে বিনিয়োগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ভাটিয়া ক্লাবটির বর্তমান নেতৃত্ব ও এফএসজির কাজের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, ক্লাবটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার প্রতি আস্থা থেকেই এই বিনিয়োগ করা হয়েছে। আগামী দিনগুলোতে মাঠ ও মাঠের বাইরে লিভারপুলের সাফল্যে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
নতুন মালিকপক্ষ থেকে লিভারপুলের বোর্ডে আরও দুজন যোগ দেবেন। তাদের একজন এলেন সেভেরিন, যিনি ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা এডুয়ার্ডো সেভেরিনের স্ত্রী। অন্যজন উদ্যোক্তা ব্রায়ান বম। তবে জেফ বেজোস নিজে লিভারপুলের বোর্ডে থাকছেন না।
লিভারপুলের মালিকানায় নতুন বিনিয়োগ এলেও এফএসজি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা থেকে সরে যাচ্ছে না। এফএসজির প্রেসিডেন্ট মাইক গর্ডনের বক্তব্য, ক্লাবের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে স্বল্পমেয়াদি সাফল্যের চেয়ে দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। নতুন বিনিয়োগকারীদের আগ্রহকে তিনি সেই পরিকল্পনারই প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।
নতুন মৌসুম শুরুর ঠিক আগে লিভারপুলের মালিকানায় এই পরিবর্তন এলো। নতুন কোচ আন্দোনি ইরাওলার অধীনে এবার শিরোপা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে দলটি। মালিকানায় নতুন অংশীদার যুক্ত হওয়ার পর মাঠের সাফল্যে এর প্রভাব কতটা পড়ে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

