শনিবার
১৫ আগস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শনিবার
১৫ আগস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিশির মনিরের এক লাইনের স্ট্যাটাস ‘ভাইরাল’

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে উদ্দেশ্য করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়েছেন এডভোকেট শিশির মনির। এতে তিনি মন্ত্রীকে বেফাঁস মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দিবাগত রাতে এ পোস্ট করেন তিনি।

এক লাইনের এই পোস্টে শিশির মনির লেখেন, ‘মাননীয় মন্ত্রী জনাব টুকু সাহেব বেফাঁস মন্তব্য করা থেকে দয়া করে বিরত থাকুন।’

উল্লেখ্য সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি, ব্যাটারিচালিত যানবাহনের বিদ্যুৎ ব্যবহার এবং দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে মন্ত্রী টুকুর কয়েকটি বক্তব্য রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি করেছে।

গত ১৩ আগস্ট সিপিডির এক আলোচনায় দেশের বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির প্রসঙ্গ তুলে ধরে টুকু ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও ই-বাইককে ‘গরিবের টেসলা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এসব যানবাহন রাতেও বিদ্যুৎ ব্যবহার করায় মধ্যরাতে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে। বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধির পেছনে ব্যাটারিচালিত যানবাহনের ব্যবহারও একটি কারণ।

এর আগে গ্যাস সরবরাহ সংকট ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি নিয়েও টুকু বলেন,ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (এফএসআরইউ) মেরামত সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা ও অপেক্ষা করা ছাড়া কোনো উপায় নেই। তার এই বক্তব্যও বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকারের অবস্থান নিয়ে আলোচনা তৈরি করে।

অন্যদিকে, ১৪ আগস্ট সিরাজগঞ্জে এক অনুষ্ঠানে দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে টুকু বলেন, আগের সরকার দেশকে বিপুল ঋণের বোঝায় ফেলে গেছে। সঠিক পরিকল্পনা না করলে ভবিষ্যতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন দেওয়াও কঠিন হয়ে যেতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, দেশ বর্তমানে ‘ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে’ এবং এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সঠিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন প্রয়োজন।

টুকুর ধারাবাহিক এসব বক্তব্যের মধ্যেই শিশির মনিরের সংক্ষিপ্ত স্ট্যাটাসটি সামনে আসে। তার বক্তব্যে কোনো নির্দিষ্ট মন্তব্যের উল্লেখ না থাকলেও সাম্প্রতিক বক্তব্যগুলোর সময়কাল ও বিষয়বস্তু বিবেচনায় নিয়ে এটি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank