

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফ্রান্সের বিপক্ষে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালকে সামনে রেখে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অনাকাঙ্ক্ষিত এক ঘটনার মুখে পড়েন মরক্কোর তারকা ফুটবলার ব্রাহিম দিয়াজ। দুই সাংবাদিকের মধ্যে হঠাৎ শুরু হওয়া উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডার কারণে তাকে কিছু সময়ের জন্য বক্তব্য থামিয়ে দিতে হয়।
সাংবাদিক জেএস গ্রন্ড-ট্রানের প্রকাশ করা একটি ভিডিওতে ঘটনাটি ধরা পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী গণমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলেন দিয়াজ। এ সময় হঠাৎ সংবাদ সম্মেলন কক্ষে উচ্চস্বরে তর্কের শব্দ শোনা যায়।
পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠলে দিয়াজ কথা বলা বন্ধ করে দেন এবং বিস্মিত হয়ে হট্টগোলের উৎসের দিকে তাকান।
পরে ক্যামেরা ঘুরিয়ে দেখা যায়, পেছনের সারিতে বসা দুই সাংবাদিক নিজেদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েছেন। তাদের উচ্চস্বরে তর্কে সংবাদ সম্মেলনের স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হয় এবং সেখানে উপস্থিত অন্য সাংবাদিকদেরও দৃষ্টি সেদিকে চলে যায়।
তবে কিছু সময় পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সংবাদ সম্মেলনের কার্যক্রম আবারও শুরু হয়।
সেই কথার লড়াই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। রূপ নেয় হাতাহাতিতে। শেষ পর্যন্ত কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে দুই সাংবাদিককে আলাদা করা হয়। পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়ে সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, বিতর্কের এক পর্যায়ে এক সাংবাদিক চিৎকার করে বলেন, ‘তুমি আমার গায়ে হাত তুললে কেন? তুমি কোনোভাবেই আমাকে মারতে পারো না।’
আয়োজকদের হস্তক্ষেপে ওই হাতাহাতি থামে। এরপর দিয়াজকে তার প্রশ্নের উত্তর দিতে বলা হলে তিনি হাসতে হাসতে বলেন, ‘সত্যি বলতে আমি প্রশ্নটাই ভুলে গিয়েছি।’ পরে মরক্কোর কোচ মোহম্মদ ওয়াহবি বলেন, ‘ম্যাচের প্রস্তুতি নিয়ে লুকানোর কিছু নেই। আমরা কীভাবে খেলতে চাই, সেটা সবাই আগের ম্যাচগুলো দেখলেই বুঝতে পারবেন।’
ফ্রান্সের খেলার ধরন সম্পর্কেও পরিষ্কার ধারণা আছে বলে দাবি করেন ওয়াহবি। তার মতে, যারা মাঠে পরিকল্পনা ঠিকমতো কাজে লাগাতে পারবে, শেষ পর্যন্ত জিতবে তারাই। এ ছাড়া কাতার বিশ্বকাপের সেই ম্যাচের সঙ্গে এই ম্যাচের কোনো মিল নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি, ‘প্রতিটি ম্যাচই আলাদা। আমাদের এবারের দলও আলাদা, ফ্রান্সও ভিন্ন দল। দুই দলই আরও শক্তিশালী হয়েছে।’

