

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের ২০০তম ম্যাচটি স্মরণীয় করে রাখতে পারল না পাকিস্তান। বরং ভারতের দুর্দান্ত বোলিংয়ের সামনে মাত্র ৫৫ রানে গুটিয়ে গিয়ে নিজেদেরই সর্বনিম্ন দলীয় স্কোরের রেকর্ড গড়েছে তারা। ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৬৮ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের জয় পেয়েছে ভারত।
শনিবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নারী এশিয়া কাপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালোই করেছিল পাকিস্তান। শাওয়াল জুলফিকার ও মুনিবা আলি মিলে প্রথম চার ওভারে কোনো উইকেট হারাননি। তবে পঞ্চম ওভারে শেফালি ভার্মা উদ্বোধনী জুটি ভাঙার পরই দ্রুত ধসে পড়ে পাকিস্তানের ইনিংস।
২৭ রানের উদ্বোধনী জুটির পর মাত্র ৮ রানের ব্যবধানে ছয় উইকেট হারায় পাকিস্তান। একপর্যায়ে ৬ উইকেটে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় মাত্র ৩৫ রান। এরপর আর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পায়নি দলটি। ইনিংসের ১১ বল বাকি থাকতেই ৫৫ রানে অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান।
শাওয়াল ১৪ এবং মুনিবা ১৩ রান করেন। এই দুজন ছাড়া পাকিস্তানের আর কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি।
ভারতের বোলারদের মধ্যে শ্রী চারানি ছিলেন সবচেয়ে সফল। চার ওভারে মাত্র ৭ রান দিয়ে তিনটি উইকেট নেন তিনি। সমানসংখ্যক উইকেট পেয়েছেন প্রেমা রাওয়াতও। দিপ্তি শর্মা নেন দুটি উইকেট।
পাকিস্তানের দেওয়া ৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন শেফালি ভার্মা। প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকান তিনি। পরের বলে এক রান নিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ভারতের তৃতীয় নারী ক্রিকেটার হিসেবে ৩ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন এই ওপেনার।
তবে বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি শেফালি। ফাতিমা সানার বলে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে ৬ বলে ১২ রান করে ফেরেন তিনি। একই ওভারে প্রতিকা রাওয়ালকে কট বিহাইন্ডের ফাঁদে ফেলেন পাকিস্তান অধিনায়ক।
এরপর নিজের দ্বিতীয় ওভারে স্মৃতি মান্ধানাকে এলবিডব্লিউ করে ভারতকে চাপে ফেলার চেষ্টা করেন সানা। কিন্তু সেই চাপ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। হারমানপ্রিত কৌর ও দিপ্তি শর্মা মিলে অবিচ্ছিন্ন ২৮ রানের জুটি গড়ে ভারতকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।
হারমানপ্রিত ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন। তিনি ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন, আর দিপ্তি অপরাজিত ছিলেন ১২ রানে।
এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচের তিনটিতেই জিতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে সেমিফাইনালে উঠেছে ভারত। অন্যদিকে দুই ম্যাচে এক জয় ও এক পরাজয় নিয়ে পরের পর্বে ওঠার অপেক্ষায় রয়েছে পাকিস্তান।


