

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটের ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে এক পা দিয়েই ফেলেছে নিউজিল্যান্ড। পাকিস্তান নিজেদের শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে গেলেই নিশ্চিত হবে কিউইদের সেমি খেলা, পাকিস্তান সেই ম্যাচ জিতলেও নেট রান রেটে নিউজিল্যান্ডকে টপকাতে না পারলে নিউজিল্যান্ডই যাবে সেমিফাইনালে। আর নিউজিল্যান্ড যদি নিজেদের শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দেয় তাহলে সরাসরিই নিশ্চিত করে ফেলবে সেমিফাইনাল, লাগবে না কোনো সমীকরণ।
১৬৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কার শুরুটাই ভালো করতে দেননি কিউই পেসার ম্যাট হেনরি। পাওয়ার প্লেতে ফেরান দুই লঙ্কান ব্যাটারকে। প্রথম বলেই শূন্যরানে আউট হন পাথুম নিশাঙ্কা। তৃতীয় ওভারে চারিথ আসালাঙ্কাকে আউট করেন হেনরি। আউট হওয়ার আগে ৯ বল খেলে মাত্র ৫ রান করেন আসালাঙ্কা।
এরপর নিজের স্পিন বিষে শ্রীলঙ্কাকে কোণঠাসা করে ফেলেন রাচিন রবীন্দ্র। চোখের পলকেই একে একে চার লঙ্কান ব্যাটারকে সাজঘরের পথ দেখান এই বাঁহাতি স্পিনার। তাতেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় শ্রীলঙ্কা। আউট হওয়ার আগে কুশল মেন্ডিস ১১, পাভান রত্নায়েক ১০, দলনেতা দাসুন শানাকা ৩ ও দুসান হেমন্ত ৩ রান করেন।
এদিকে দুনিথ ভেল্লালাগেকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে যান কামিন্দু মেন্ডিস। কিন্তু সেই লড়াই জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। ২৩ বলে ৩১ রান করে আউট হন তিনিও। ভেল্লালাগে থামেন ২৯ রানে। আর ৭ রানে চামিরা ও ২ রানে থিকসানা অপরাজিত থাকেন। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১০৭ রান করে শ্রীলঙ্কা।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন রাচিন রবীন্দ্র। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটাই তার সেরা বোলিং ফিগার। এছাড়া দুটি উইকেট পেয়েছেন ম্যাট হেনরি।
এর আগে কলম্বোতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতে টস জিতে নিউজিল্যান্ডকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ লঙ্কান দলনেতা দাসুন শানাকা। ব্যাট করতে নেমে ঝোড়ো সূচনার ইঙ্গিত দেন ওপেনার ফিল অ্যালেন। কিন্তু চতুর্থ ওভারে তাকে ফেরান থিকসানা। আউট হওয়ার আগে১৩ বলে ২৩ রান করেন অ্যালেন। আরেক ওপেনার টিম সেইফার্ট থামেন মাত্র ৮ রানে।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে ইতিবাচক ব্যাট করতে থাকেন রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপস। দুজন মিলে গড়েন ৪৩ রানের জুটি। কিন্তু এই দুই ব্যাটার আউট হওয়ার পর রানের গতি মন্থর হয়ে যায়। ১২তম থেকে ১৬তম ওভার পর্যন্ত এই ৫ ওভারে রান আসে মাত্র ১৫ রান। রাচিন ৩২, ফিলিপস ১৮, মিচেল ৩ ও চ্যাপম্যান শূন্যরানে আউট হন।
শেষ চার ওভারে চাপ সামলে ব্যাট হাতে ক্রিজে ঝড় তোলেন দলনেতা মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাককঞ্চি। দুজন মিলে গড়েন ৮৪ রানের জুটি। মাত্র ২৬ বলে দুটি চার ও চারটি ছয়ে ৪৭ রান করেন স্যান্টনার। আর ২৩ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন ম্যাককঞ্চি।
শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট নেন মহেশ থিকসানা ও দুশমান্থা চামিরা। একটি উইকেট পেয়েছেন দুনিথ ভেল্লালাগে।
মন্তব্য করুন
