মঙ্গলবার
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
মঙ্গলবার
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুপার এইট নিশ্চিত শ্রীলঙ্কার, জটিল সমীকরণে অস্ট্রেলিয়া 

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২:৫১ এএম
ছবি সংগৃহীত
expand
ছবি সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা তিন ম্যাচ জিতে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার জন্য পরিস্থিতি কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিন ম্যাচে মাত্র এক পাওয়া অজিরা পড়ে গেছে জটিল সমীকরণে। নিজেদের শেষ ম্যাচ জিতলেও তাদের তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য দলের ফলাফলের দিকে।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) পাল্লেকেলা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে নানা সমীকরণ লঙ্কানদের বিপক্ষে খেলতে নামে অস্ট্রেলিয়া। শুরুটাও দারুণ করেছিল দলটি।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে খেলেন দুই ওপেনার মিচেল মার্শ ও ট্রাভিস হেড। শ্রীলঙ্কার বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে মাত্র ৮ ওভারে তারা স্কোরবোর্ডে তোলেন ১০৪ রান। পাওয়ারপ্লে ও তার পরের কয়েক ওভারে রান তোলার গতি দেখে বড় সংগ্রহের ইঙ্গিতই মিলছিল।

তবে মাঝের ওভারে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন শ্রীলঙ্কার বোলাররা। লেগ স্পিনার দুশান হেমান্থা ধারাবাহিকভাবে চাপে রাখেন ব্যাটারদের। তার সঙ্গে গতি ও নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ছিলেন দুশমন্থ চামিরা।

এসময় দ্রুত উইকেট হারাতে থাকায় নির্ধারিত ওভারের আগেই ১৮১ রানে অলআউট হয়ে যায় তারা।

হেমান্থা ৪ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট। চামিরা, মহেশ থিকশানা, দুনিথ ভেল্লালাগে ও কামিন্দু মেন্ডিস প্রত্যেকে একটি করে উইকেট শিকার করেন।

১৮২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শ্রীলঙ্কাও শুরুতে ধাক্কা খায়। কুশাল পেরেরা দ্রুত ফিরে গেলে কিছুটা চাপে পড়ে দল। তবে কুশাল মেন্ডিস ও পাথুম নিসাঙ্কা সেই চাপ সামলে নেন। দ্বিতীয় উইকেটে ৯৭ রানের জুটি গড়ে তারা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে আসেন।

মেন্ডিস ৩৮ বলে ৫১ রান করে আউট হলেও তখন ম্যাচ অনেকটাই শ্রীলঙ্কার দিকে ঝুঁকে গেছে। নিসাঙ্কা ছিলেন আরও সাবলীল। ৫২ বলে অপরাজিত ১০০ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি। শেষ পর্যন্ত ১২ বল হাতে রেখেই ৮ উইকেটের জয় নিশ্চিত করে শ্রীলঙ্কা।

এই জয়ে তিন ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে সুপার এইটে জায়গা নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা। বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ার সামনে এখন কঠিন সমীকরণ। শেষ ম্যাচে জয় পেলেও তাদের ভাগ্য নির্ভর করবে অন্য ম্যাচের ফলাফলের ওপর। গ্রুপ পর্বের শেষ দিকে এসে তাই চাপটা এখন অস্ট্রেলিয়ার কাঁধেই।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X