শনিবার
২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শনিবার
২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্ষমা করে আবার বিচার দাবি করা যায় না, নাহিদদের উদ্দেশে রাশেদ খাঁন

এনপিবিনিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : ২৫ জুলাই ২০২৬, ০১:১৩ এএম
ফাইল ছবি
expand
ফাইল ছবি

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ গণঅভ্যুত্থানের নেতাদের সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তার দাবি, নাহিদ ইসলামদের পরামর্শে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার শপথ গ্রহণের মাধ্যমে সাবেক রাষ্ট্রপতিকে নতুন করে বৈধতা দিয়েছিল।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন এসব মন্তব্য করেন।

তিনি লেখেন, বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। নাহিদ ইসলামরা যদি সংবিধান মেনে সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ না নিয়ে বিপ্লবী সরকার গঠন করতো , সেক্ষেত্রে দায়মুক্তির প্রসঙ্গ আসতো না। এবং সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকতো।

রাশেদ খান আরও বলেন, সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতির হাতে শপথ নেওয়ার মাধ্যমে তাকে একপ্রকার ক্ষমা করে দিয়ে নতুনভাবে বৈধতা দিয়েছিলো নাহিদ ইসলামদের পরামর্শে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আপনি কাউকে ক্ষমা করে দিয়ে ও একপ্রকার নতুনভাবে মূল্যায়ন করে, আবার তার বিচার দাবি করতে পারেন না। বরং নাহিদ ইসলামদের ভুলের জন্য তাদেরই উচিত জাতির কাছে ভুল স্বীকার করে দুঃখপ্রকাশ করা। তারা এখন জনগণকে আইওয়াশ করতে রাষ্ট্রপতির বিচার দাবি করছে।

রাশেদ খাঁন প্রশ্ন তুলে লেখেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন। সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতিকে বহাল রেখে মধু খেয়ে, আবার এখন তার বিচার দাবি করা হাস্যকর!

এদিকে, অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়া সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর তাকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন এনসিপির কয়েকজন নেতা।

নেত্রকোনায় এক পথসভায় নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি আগের সরকারের সহযোগী ছিলেন এবং তাকে আরও আগেই অপসারণ করা প্রয়োজন ছিল। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে কোনো অজুহাতে তিনি দেশের বাইরে চলে যেতে না পারেন এবং তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন