

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


২০২৭ সালে পবিত্র হজ পালনে বাংলাদেশ থেকে সাড়া কম বলে জানিয়েছে ধর্মমন্ত্রণালয়। একই নির্ধারিত কোটা অপূর্ণ থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছন মন্ত্রণালয়।
রোববার (৩০ আগস্ট) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আশঙ্কার কারণ হিসেবে ওমরা হজের প্রবণতা বেড়ে যাওয়া ও হজের খরচ বৃদ্ধির কথা বলা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয় তাতে।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ পোর্টালের তথ্যানুযায়ী, পর্যন্ত সরকারি মাধ্যমে ৫২৪ জন এবং বেসরকারি মাধ্যমে ৬৯৩ জন প্রাথমিক নিবন্ধন সেরেছেন।
একই সময়ে সরকারি মাধ্যমে হজে যেতে প্রাক নিবন্ধন সেরেছেন ৩ হাজার ৫৯৩ জন, আর বেসরকারি মাধ্যমে প্রাক নিবন্ধন করেছেন ৬০ হাজার ১২৯ জন।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ২০২৭ সালের গাইডলাইন অনুযায়ী, হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তিদের প্রথমে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট দিয়ে ৩০ হাজার টাকা ফি জমা দিয়ে প্রাক-নিবন্ধন সারতে হয়। এই প্রাক-নিবন্ধনের সিরিয়াল অনুযায়ী জাতীয় ডেটাবেজে স্থান নির্ধারণ করা হয়।
সৌদি রোডম্যাপ অনুসরণ করে ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধনের কার্যক্রম ২০২৬ সালের ২৮ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে, যা চলবে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। যদিও প্রতিবছর নিবন্ধনের সময় বাড়ানো হয়।
প্রাক ও প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিতদের আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে হজের চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করার সময় বেঁধে দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
গাইডলাইন অনুযায়ী, প্রাক-নিবন্ধিতদের মধ্য থেকে নির্ধারিত ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জমা দিয়ে প্রাথমিক নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হয়। এরপর নির্ধারিত প্যাকেজের অবশিষ্ট টাকা পরিশোধ করে চূড়ান্ত নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।
সরকারি বা বেসরকারি (অনুমোদিত হজ এজেন্সি) যেকোনো দুটি মাধ্যমের একটি বেছে নিয়ে নিবন্ধনের সুযোগ রয়েছে।


