

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মুসলমানের জন্য অপেক্ষাকৃত স্বস্তির বার্তা নিয়ে আসছে ২০২৬ সালের রমজান। এবার রোজার সময় গত বছরের তুলনায় কম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খালিজ টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, রমজান শুরু হতে পারে ১৯ ফেব্রুয়ারি। তবে ১৮ ফেব্রুয়ারি চাঁদ দেখা গেলে একদিন আগেই রমজান শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের চাঁদ দেখা কমিটি বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে।
রোজার সময় দেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও অক্ষাংশের উপর নির্ভর করে। মুসলমানরা সূর্যদোয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ ও অন্যান্য শারীরিক ভোগ-বিলাস থেকে বিরত থাকেন। এছাড়া দিনের দৈর্ঘ্য অনুসারে রোজার সময়ও নির্ধারিত হয়।
মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা: বিষুবরেখার কাছে থাকা দেশগুলোতে দিনের দৈর্ঘ্য তুলনামূলকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ হওয়ায় রোজার সময়ও মাঝারি থাকে। উদাহরণস্বরূপ, সংযুক্ত আরব আমিরাতে রমজান ২০২৬-এর প্রথম রোজায় প্রায় ১২ ঘণ্টা ৪৬ মিনিট সিয়াম পালন করা হবে, যা গত বছরের প্রথম দিনের তুলনায় প্রায় ৩০ মিনিট কম।
দীর্ঘতম রোজার সময়: গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের মতো দেশগুলোতে ১৬ ঘণ্টারও বেশি রোজার সময় হতে পারে। কিছু উচ্চ অক্ষাংশীয় এলাকায় এটি ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত গড়ে উঠতে পারে।
স্বল্পতম রোজার সময়: বিষুবরেখার নিকটবর্তী বা দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোতে দিনের দৈর্ঘ্য কম হওয়ায় রোজার সময়ও স্বল্প থাকে। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, উরুগুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা, চিলি ও নিউজিল্যান্ডের কিছু অঞ্চলে এটি সাধারণত ১১–১৩ ঘণ্টার মধ্যে থাকে।
বিষুবীয় অঞ্চলে: ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও কেনিয়ার মতো অঞ্চলে রোজার সময় প্রায় ১২–১৪ ঘণ্টার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে এবং তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল থাকে।
এভাবে ২০২৬ সালের রমজান মুসলমানদের জন্য অপেক্ষাকৃত স্বস্তির মাস হিসেবে ধরা হচ্ছে, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার অনেক অঞ্চলে।
মন্তব্য করুন

