

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আগামী ছয় মাসে মালয়েশিয়া প্রায় ২ লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ করবে—বাংলাদেশের এক প্রতিমন্ত্রীর এমন বক্তব্য মালয়েশিয়া সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান নয় বলে জানিয়েছেন দেশটির সরকারি মুখপাত্র দাতুক সেরি ফাহমি ফাদজিল। তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী দাতুক সেরি আর রামানান তাকে জানিয়েছেন, ওই বক্তব্য একজন জুনিয়র মন্ত্রী দিয়েছেন।’
তাই এটিকে বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়।
সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘এটি বাংলাদেশ সরকারের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের প্রতিনিধিত্ব করে না। মানবসম্পদ মন্ত্রী আমাকে এটাই জানিয়েছেন। সুতরাং এটি কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নয়।’
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছিলেন, আগামী ছয় মাসে মালয়েশিয়া প্রায় ২ লাখ বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে এসব কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। চলতি সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ধাপে ধাপে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে তা সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর আগে গত জুন মাসে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমকে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য দেশটির শ্রমবাজার পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।
শ্রমিকদের শোষণ, ঋণের দায়ে জিম্মি করে রাখা, জোরপূর্বক শ্রমে নিয়োজিত করা এবং প্রতিশ্রুত চাকরি ছাড়াই কর্মীদের মালয়েশিয়ায় পাঠানোর মতো অভিযোগের পর ২০২৪ সালে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে বিধিনিষেধ আরোপ করেছিল মালয়েশিয়া।
দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ স্ট্রেইটস টাইমস (এনএসটি) বলছে, মালয়েশিয়া বিদেশি শ্রমিকের ওপর নির্ভরতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়ার সময় নতুন করে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের এই দাবি সামনে এসেছে। এদিকে, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটির মোট শ্রমশক্তিতে বিদেশি কর্মীর হার প্রায় ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।


