

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


দীর্ঘ অপেক্ষার পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রতীক্ষিত নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো বা নবম পে-স্কেলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে মন্ত্রীপরিষদ বৈঠকে। পে-স্কেল সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করতে যাচ্ছে সরকার। আগামী রোববার নতুন বেতন কাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।
এর আগে গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভা নতুন পে-স্কেল অনুমোদন করে।
নতুন বেতন কাঠামোয় সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবেন নিম্ন গ্রেডের সরকারি কর্মচারীরা। ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা এবং প্রথম গ্রেডের বেতন ৭৮ হাজার থেকে বেড়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে।
তবে পুরো বর্ধিত মূল বেতন একসঙ্গে কার্যকর হবে না। ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডে বাড়তি বেতনের ৫০ শতাংশ প্রথম ধাপে, ২৫ শতাংশ দ্বিতীয় ধাপে এবং ২৫ শতাংশ তৃতীয় ধাপে কার্যকর হবে। আর প্রথম থেকে নবম গ্রেডে বাড়তি বেতনের ৪০ শতাংশ প্রথম ধাপে, ৩০ শতাংশ দ্বিতীয় ধাপে এবং ৩০ শতাংশ তৃতীয় ধাপে কার্যকর হবে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যেই তিন ধাপে নতুন বেসিক বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে।
অন্যদিকে নতুন হারে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা, যাতায়াতসহ বিভিন্ন ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে পুরো নতুন বেসিক কার্যকর হওয়ার পরও নতুন ভাতার পূর্ণ সুবিধা পেতে চাকরিজীবীদের আরও কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে বেতন, ভাতা ও পেনশন বাবদ সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা। সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগী মিলিয়ে প্রায় ৩৩ লাখ মানুষ এর আওতায় আসবেন।


