

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সাংবিধানিক ৩ অঙ্গকে ঠিক রাখতে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যমকে ভূমিকা রাখতে হবে।
তিনি বলেন, গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। এই চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যম ঠিক থাকলে অন্য তিন স্তম্ভ সোজা পথে চলতে বাধ্য হবে। কিন্তু চতুর্থ স্তম্ভ ব্যর্থ হলে ভঙ্গুর হয়ে যায় বাকি তিন স্তম্ভ অটোমেটিক ব্যর্থ হয়ে যাবে। আমরা সেই ব্যর্থতা আর দেখতে চাই না। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যম সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলার মাধ্যমে গণমাধ্যম একটি উন্নত রাষ্ট্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গণমাধ্যমে যারা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ তুলে ধরতে কাজ করেছে তাদের কন্ঠরোধ করা এবং তারা সফলও হয়েছিল। সেই সফলতার রেশ এখনো চলছে বলে মাঝে মাঝে যেন মনে হয়। আমরা ফ্যাসিবাদ থেকে আংশিক নয় পূর্ণ মুক্তি চাই। এটা যার আমলেই হোক, যখনই হোক। ফ্যাসিবাদ কখনো জাতিকে ভালো কিছু দিতে পারেনি, পারবে না।
শনিবার (১৪ মার্চ) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের উদ্যোগে সাংবাদিকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আপনারা জাতির বিবেক। আপনারা বিবেক অনুযায়ী চলবেন। জন্ম যেহেতু হয়েছে মৃত্যুও একদিন হবে এবং একবারই হবে। তাই চলতে হবে বীরের মতো। মাঝখানে আর কোনো আপোস নাই।
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী বিরোধীদলে থেকেও সাংবাদিকদের কন্ঠের পাহারাদারির দায়িত্ব পালন করবে। কিন্তু সাংবাদিকদের নিরাপত্তার নিশ্চিয়তা দিতে হবে সরকারি দলকে। আমরা এক ঐক্যবদ্ধ জাতি দেখতে চাই। এবং জাতীয় ইস্যুতে, জাতীয় স্বার্থে কারো সাথে আমরা কোনো আপোস করব না। সরকারি দল যদি সেই ক্ষেত্রে অনড় থাকে আমরা তাদের পাশে থেকে শক্তি জোগাবো, একসাথে লড়াই করবো। কিন্তু সরকারি দল যদি এখান থেকে বিচ্যুত হলে তাদেরকে সোজা রাস্তায় আনার চেষ্টা করবো, না হলে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। এটাই হবে জামায়াতে ইসলামীর নীতি।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন দৈনিক নয়া দিগন্ত পত্রিকার সম্পাদক সালাহউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কবি হাসান হাফিজ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক মহাসচিব এম. এ আজিজ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
মন্তব্য করুন
