

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিএনপির চার দশকের পথচলা, দলটির আদর্শ, অর্জন ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিশ্লেষণ করেছেন দারু সালাম বিশ্ববিদ্যালয়, সোমালিয়ার উপাচার্য ও অপরাধবিজ্ঞান, সুশাসন ও মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. আসিফ মিজান।
‘তাত্ত্বিক আলোয় বিএনপির চার দশক: ইতিহাস, অর্জন ও নতুন যুগের অভিযাত্রা’ শীর্ষক নিবন্ধে তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠা, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ, নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা, শাসনামলের বিভিন্ন উদ্যোগ এবং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরেছেন।
নিবন্ধে আসিফ মিজান বলেন, ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির আত্মপ্রকাশ ঘটে। তাঁর মতে, দলটির জন্ম হয়েছিল সে সময়ের রাজনৈতিক সংকট ও পরিবর্তিত বাস্তবতার মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক মত ও শক্তির সমন্বয়ে।
বিএনপির আদর্শিক ভিত্তি হিসেবে ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’, বহুদলীয় গণতন্ত্র, মুক্তবাজার অর্থনীতি এবং ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের স্বীকৃতির বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন তিনি।
দলটির নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা প্রসঙ্গে লেখক জিয়াউর রহমানের পর খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপির পুনর্গঠনের কথা উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বের রাজনৈতিক ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।
বিএনপির শাসনামলের বিভিন্ন সাফল্য তুলে ধরে নিবন্ধে তৈরি পোশাক শিল্পের বিকাশ, জনশক্তি রপ্তানি, সার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ, প্রাথমিক শিক্ষা এবং ছাত্রীদের উপবৃত্তির মতো বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
ভবিষ্যৎ করণীয় প্রসঙ্গে লেখক রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সংস্কার, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, আইনের শাসন, মানবাধিকার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তরুণ প্রজন্মের পরিবর্তিত প্রত্যাশা ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাষ্ট্র পরিচালনার নতুন কাঠামো তৈরি করা প্রয়োজন।
নিবন্ধের শেষাংশে বিএনপির প্রতি জনগণের প্রত্যাশা তুলে ধরে লেখক বলেন, অতীতের অর্জনকে ভিত্তি করে দলটিকে ভবিষ্যতের জন্য আধুনিক, কল্যাণমুখী ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রের রূপরেখা প্রণয়ন করতে হবে। তাঁর মতে, টেকসই গণতন্ত্র, সুশাসন, মানবাধিকার ও অর্থনৈতিক মুক্তি নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত আগামীর প্রধান লক্ষ্য।


