

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিচারের মুখোমুখি হতে ভারতের বাংলাদেশের হাতে তুলে দেওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তবে এই একটি ইস্যুর কারণে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বাধাগ্রস্ত হবে না এবং ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়নে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল।
তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি হাসিনা গুরুতর মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে। তাকে শাস্তির আওতায় আনার ক্ষেত্রে শক্তিশালী জনমত আছে। আমরা বিশ্বাস করি (বিচারের মুখোমুখি করতে) ভারতকে তার ফিরিয়ে দেওয়া উচিত।’
তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের হাতে তুলে না দেওয়ার বিষয়টি বাণিজ্য ও বৃহত্তর বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় কোনো বাধা হবে না। আমরা ভারতের সঙ্গে আরও ভালো সম্পর্ক গড়তে চাই।’
ফখরুল জানান, বাংলাদেশের স্বার্থে প্রকল্পগুলো দ্রুত এগিয়ে নেওয়া এবং ভারতের সঙ্গে উন্নয়ন অংশীদারিত্ব জোরদার করা হবে।
শেখ হাসিনার এবং তৎকালীন মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে সাজা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের অভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারানোর পর থেকে ভারতে নির্বাসনে থাকা শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তার সরকারের মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে চলমান আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।’
তিনি বলেন, দুই দেশের অমীমাংসিত বিষয় যেমন গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি, ফারাক্কার পানি, সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা প্রয়োজন। ভারতের সঙ্গে যুদ্ধের কোনো সুযোগ নেই, বরং আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে হবে।
ফখরুল বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনা করা উচিত। ২০২৪ সালের সহিংস অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার জাতীয় পর্যায়ে সমঝোতা করতে ব্যর্থ হয়েছে। বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচি ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য, প্রযুক্তি শিক্ষা, ব্যবসা ও ডিজিটাল অবকাঠামো ক্ষেত্রে সহযোগিতার সুযোগ তৈরি করবে।
মন্তব্য করুন

