বৃহস্পতিবার
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বৃহস্পতিবার
০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনের পর রাজনীতি থেকে অবসর নিতে চাই: মির্জা ফখরুল

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:০৩ এএম
কথা বলছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত।
expand
কথা বলছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত।

রাজনীতি থেকে অবসর কথা জানিয়ে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘এবার আমার শেষ নির্বাচন; অনেক বয়স হয়েছে আমার। রাজনীতি থেকে আমি অবসর নিতে চাই। আমাদের দেশে অবসর নেওয়ার মতো কোনো প্রচলন নেই, আমি সেই শুরুটা করতে চাই’।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের গোয়ালপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক নির্বাচনী সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, “বিগত ১৫ বছর কোনো সুযোগ পাইনি আপনাদের উন্নয়ন ও ভাগ্যের পরিবর্তন করার। কারণ আমরা সেই সময়টায় অত্যাচার, নির্যাতন ও নিপীড়নের মধ্যে ছিলাম। আমার ঠাকুরগাঁওয়ের ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলসহ মূল দলের অনেকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা হয়েছে এবং সবাই অনেক কষ্ট করেছে। আল্লাহর কাছে লাখো শুকরিয়া, এই মামলাগুলো থেকে আমরা সবাই খালাস পেয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আন্দোলনের ফসল হিসেবে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন পাচ্ছি। গত নির্বাচন সুষ্ঠু ছিল না, কারণ নির্বাচন করতেই দেয়নি। নির্বাচনের দুই দিন আগে গোয়েন্দা বাহিনী এসে ভয় দেখিয়ে চলে যেত। এবার আমাদের সুযোগ এসেছে একটা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন সংসদ ও সরকার গঠন করার। নতুন সরকার গঠন করার জন্য আপনারা সবাই ধানের শীষে ভোট দেবেন।”

মির্জা ফখরুল বলেন, “ঠাকুরগাঁও পৌরসভার একটা ইতিহাস আছে। বিএনপি এখানে কোনোদিন হারেনি। এর আগে আমি সংসদ নির্বাচনে হেরে গেলেও পৌরসভায় কিন্তু হারেনি বিএনপি। তাই অনুরোধ করব, এবার আমার শেষ নির্বাচন; অনেক বয়স হয়েছে আমার। রাজনীতি থেকে আমি অবসর নিতে চাই। আমাদের দেশে অবসর নেওয়ার মতো কোনো প্রচলন নেই, আমি সেই শুরুটা করতে চাই। এবার নির্বাচন করে আমি রাজনীতি থেকে অবসর নিতে চাই। বর্তমানে আমার যে মনের অবস্থা, তাতে অবসর নেওয়াই ভালো।”

তিনি বলেন, “আমাদের নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ দিন লন্ডনে ছিলেন। দেশে এসেই তিনি মা-বোনদের জন্য ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলছেন। এই কার্ডের মাধ্যমে মানুষ সস্তায় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ক্রয় করতে পারবে। চিকিৎসা ও শিক্ষাসহ সবকিছুতেই সুবিধা পাবে। কৃষকদেরও কার্ড দেওয়া হবে, যার ফলে তারা সার ও বীজসহ সবকিছু ন্যায্য মূল্যে ক্রয় করতে পারবে। আমরা শিশুদের সুশিক্ষার জন্য ভালো স্কুলের ব্যবস্থা করব। হাসপাতালে যেন মানুষ ভালো চিকিৎসা পায়, সেই ব্যবস্থা করব এবং সস্তায় ওষুধ দেওয়ার চেষ্টা করব।”

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

X