

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সরকারি খাদ্য কর্মসূচির সুবিধা যাতে প্রকৃত সেবাগ্রহীতারা পান, তা নিশ্চিত করতে খাদ্যগুদামের ‘সিন্ডিকেট’ ভেঙে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।
রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার সদর এলএসডির (লোকাল স্টোরেজ ডিপো) বেউথা ক্যাম্পাস ও সাটুরিয়া উপজেলার সাটুরিয়া এলএসডি আকস্মিক পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গুদামের সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে আমরা কাজ করছি। সরকারি খাদ্য কর্মসূচির প্রকৃত সুফল যাতে প্রকৃত সেবাগ্রহীতারা পান, তা নিশ্চিত করা হবে।’
তিনি বলেন, যেকোনো সময় দুর্যোগ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় সক্ষমতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী খাদ্য মজুত করা হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে খাদ্যমন্ত্রী গুদামে সংরক্ষিত ধান, চাল, গম ও আটার মজুত, সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং খাদ্যশস্যের গুণগতমান সরেজমিনে দেখেন। পাশাপাশি গুদামগুলোর সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও নিরাপদ সংরক্ষণ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন।
আফরোজা খানম রিতা বলেন, খাদ্যগুদামগুলোতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে কি না এবং সংরক্ষিত খাদ্যশস্য নিরাপদ ও মানসম্মত অবস্থায় রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করাই তাঁর প্রথম কাজ। এ লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন জেলার খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করা হবে।
মানিকগঞ্জের সদর ও সাটুরিয়া উপজেলার খাদ্যগুদামে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সেখানে সংরক্ষিত ধান, গম ও আটার গুণগতমান সন্তোষজনক। দেশের অন্যান্য জেলাতেও একই ধরনের খাদ্য মজুত রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগ বা কোনো সংকট দেখা দিলে দ্রুত মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিতে প্রতিটি জেলায় চাহিদা অনুযায়ী খাদ্য মজুত গড়ে তোলা হচ্ছে। বর্তমানে দেশের প্রতিটি জেলায় পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে এবং কোনো ধরনের খাদ্য সংকট নেই বলেও জানান তিনি।
খাদ্যগুদামে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা কিংবা খাদ্যশস্যের গুণগতমান নিয়ে সমস্যা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেন খাদ্যমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ‘খাদ্যগুদামে অনিয়মের সঙ্গে জড়িত কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।’
সম্প্রতি মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা খাদ্যগুদামে অনিয়ম পাওয়ার পর সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে আফরোজা খানম রিতা বলেন, খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


