শনিবার
২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শনিবার
২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাতীয় চার নেতার মুরালকে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ বলে অপসারণ

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৭ পিএম
জাতীয় চার নেতার মুরালকে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ বলে অপসারণ। ছবি: সংগৃহীত
expand
জাতীয় চার নেতার মুরালকে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ বলে অপসারণ। ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ সংলগ্ন জগদীশপুরের মুক্তিযোদ্ধা চত্বর থেকে জাতীয় চার নেতা—সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন মুহাম্মদ মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানের মুরালাকৃতির ছবি অপসারণের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে জাতীয় চার নেতার মুরালাকৃতির ছবি স্থাপন করা ছিল। প্রায় এক মাস আগে মাধবপুরের তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ বিন কাসেমের নির্দেশে ছবিগুলোকে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ আখ্যা দিয়ে অপসারণ করা হয়।

এ ঘটনায় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। তৎকালীন ইউএনও বদলি হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে অপসারণ করা জাতীয় চার নেতার ছবি পুনরায় স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধারা। মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতারাও এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস শহীদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অনুদানে নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে জাতীয় চার নেতার ছবি ছিল। কোনো যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া ছবিগুলো অপসারণ করা হয়েছে। আমরা এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।

এ ঘটনায় মাধবপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. অলিদ মিয়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এক পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘ছবিগুলো কি খুব সমস্যা করছিল এই সরকারকে?’

তিনি বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে যাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল, তাদের যথাযথ সম্মান দেওয়া উচিত। ঐতিহাসিক নেতাদের ছবি মুছে ফেলার সংস্কৃতি চালু থাকলে সময়ের ব্যবধানে সবাই এই অপসংস্কৃতির শিকার হতে পারেন।

এ বিষয়ে মাধবপুরের বর্তমান ইউএনও মেহেদী হাসানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন