

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ১১ বছর আগে ডিবি হেফাজতে থাকার সময়কার এক দুঃসহ রাতের স্মৃতি তুলে ধরেছেন তার মেয়ে শামারুহ মির্জা। তিনি জানিয়েছেন, ডিবি অফিসে থাকা অবস্থায় পাশের রুমে এক ব্যক্তিকে মারধরের শব্দ ও তার আর্তচিৎকার শুনে সারারাত ঘুমাতে পারেননি তার বাবা।
কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও পডকাস্টার ঈশা রুশদির সঙ্গে এক পডকাস্টে শামারুহ মির্জা এ তথ্য তুলে ধরেন। পডকাস্টটি বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাতে ঈশা রুশদি নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে প্রকাশ করেন।
শামারুহ মির্জা জানান, ২০১৫ সালের ঠিক আগে আগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার রুমে ভিড় ছিল। পাশের দুই-তিনটি রুম থেকে মারধরের শব্দ আসছিল। এতে সারারাত ঠিক মতো ঘুমাতে পারেননি মির্জা ফখরুল।
শামারুহ মির্জা বলেন, ‘বাবা পাশের রুম থেকে একজনের চিৎকার শুনতে পাচ্ছিলেন। ওই ব্যক্তি বারবার ‘মা মা’ এবং ‘পানি পানি’ বলে চিৎকার করছিলেন। একপর্যায়ে সেই চিৎকার থেমে যায়।’
শামারুহ আরও বলেন, ‘চিৎকারটি কেন থেমে গেল, ওই ব্যক্তির কী হয়েছিল তা বাবা (মির্জা ফখরুল) আজও জানেন না। ঘটনাটি বাবাকে মানসিকভাবে নাড়া দিয়েছিল। ওই রাতের অভিজ্ঞতার কারণে তিনি ঠিকমতো ঘুমাতেও পারেননি।’
শামারুহ মির্জা জানান, এসব ঘটনা ও নেতাকর্মীদের কষ্টের কথা শুনে তার বাবা ভেতরে ভেতরে খুব ভেঙে পড়তেন। বিশেষ করে তরুণদের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে তিনি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ছিলেন।
মির্জা ফখরুলের কন্যা বলেন, ‘ওই ঘটনার পর বাবা দেশের তরুণ নেতাকর্মীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। কারাগার থেকে ফেরার পর তিনি তাকে বলেছিলেন, হাজার হাজার তরুণের অনেকেরই আর স্বাভাবিক সংসারজীবন হলো না। কেউ জেলে থেকেছে, কেউ পালিয়ে বেড়িয়েছে, আবার অনেকে নিখোঁজ হয়েছে।’


